কলাপাড়ায় হাঁটু সমান কাঁদা মারিয়েই স্কুলে যায় শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ : 11 Sep 2025
কলাপাড়ায় হাঁটু সমান কাঁদা মারিয়েই স্কুলে যায় শিক্ষার্থীরা

কলাপাড়া প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের এলেমপুর গ্রামের মাত্র ২ কিলোমিটার রাস্তা। এর পুরো অংশ জুড়ে হাঁটু সমান কাঁদা। আর সেই কাঁদা মারিয়েই প্রতিদিন স্কুলে যেতে হয় ছোট ছোট শিশু শিক্ষার্থীদের। অনেক সময় হোঁচট খেয়ে মাঝপথেই থেমে যায়। এ করানে বর্ষা মৌসুমে অনেকেই স্কুলে যাওয়া বন্দ করে দিয়েছে। শুধু শিক্ষার্থীরা নয় রাস্তার কারনে দূরাবস্থায় রয়েছে পাশ্ববর্তী তিন গ্রামের হাজার হাজার মানুষ দূর্ভোগ চরমে পোহাচ্ছে এ রাস্তাটির করানে। স্বাধীনতা পরবর্তী কয়েক যুগ পেরিয়ে গেলেও একটুকরো ইট পাথরের ছোঁয়া লাগেনি এমনটাই অভিযোগ এলাকাবাসীর। 

স্থানীয়রা জানান, এলেমপুর ও কুমির মারা গ্রাম হচ্ছে কলাপাড়ার সবজীর প্রান কেন্দ্র। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখন পর্যন্ত একটাও ইটের কনাও এ রাস্তাটিতে পরেনি। তারা বহু সংশিøষ্ট দপ্তরে জানালেও কোন সুরাহা পাইনি। 

৬৫ বছরের বৃদ্ধ ওই গ্রামে বাসিন্দা রশীদ মোল্লা বলেন, আমার দেখা চোঁখে কত মেম্বার চেয়ারম্যান গেল, কিন্তু কেউ রাস্তায় একটা ইটের কোনাও দিলনা। 

নিজের বাচ্চার হাত ধরে স্কুল থেকে ফিরছিলেন এলেমপুরের আরেক বাসিন্দা আব্দুল বারেক তিনি আক্ষেপ করে বলেন, প্রতিদিন বাঁচ্চা দুইডা ফরিদগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দিয়া আই। আবার ছুটির পর নিয়া আই। আমাগো এই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নাই। তারা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে রাস্তাটি দ্রুত পাকা করনের দাবি জানান। 

ফরিদগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো.শাহআলম মিয়া বলেন, বর্ষা আসলেই তার স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যায়। আর যাবেই না কেন ওই রাস্তাদিয়ে কেউ একবার গেলে আর যেতে চাইবে না। কারন হাঁটু পর্যন্ত গেড়ে যায়। 

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসিন সাদেক বলেন, আমি এলজিইডির প্রকৌশলীকে বিষটি অবহিত করব। সে অনুযায়ী তিনি প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করবেন এমটাই অশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


সম্পর্কিত খবর

;