নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বিনিয়োগে জোর

দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশ : 24 Jun 2026
দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশেষ প্রতিনিধি: চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে এবারের সম্মেলন শুরু হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ বা ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করছেন ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।


প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দিয়ে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করছেন। ফোরামে অংশ নেওয়া চীনা বিনিয়োগকারী ও শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, নীতিগত সুবিধা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তারেক রহমানের প্রথম ডব্লিউইএফ সম্মেলনে অংশগ্রহণ।


এর আগে মঙ্গলবার দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা দেওয়া হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


জবাবে আলোইস জভিংগি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ বৈশ্বিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী সংস্থাগুলোর আগ্রহ বাড়াবে। তিনি বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।


বৈঠক শেষে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠেয় সংস্থার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।


ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন এই সম্মেলন ‘সামার দাভোস’ নামে পরিচিত। প্রতি বছর জুন মাসে চীনের দালিয়ান অথবা তিয়ানজিনে এটি অনুষ্ঠিত হয়। এবারের সম্মেলনে ৯০টির বেশি দেশের সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা ও বিশেষজ্ঞ অংশ নিচ্ছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু অর্থায়ন, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি এবারের আলোচনার মূল এজেন্ডা।


সম্পর্কিত খবর

;