ভিডিওর ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ

ডেমরায় পার্টনারের স্ত্রীকে ধর্ষণ, কারাগারে ধর্ষক

প্রকাশ : 08 Nov 2025
ডেমরায় পার্টনারের স্ত্রীকে ধর্ষণ, কারাগারে ধর্ষক

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর ডেমরায় ব্যবসায়িক পার্টনারের স্ত্রীকে ধর্ষণ ও গোপনে ধারণ করা ওই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেফতার মো. সাজ্জাদ হোসেনকে (৪১) শনিবার বিকালে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার দিবাগত রাতে (৭ নভেম্বর) ঢাকার মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এলাকা থেকে ওই লম্পটকে গ্রেফতার করে শনিবার আদালতে পাঠায় ডেমরা থানা পুলিশ। এ বিষয়ে শুক্রবার রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী মো. ইমাম হোসেন লম্পট সাজ্জাদের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলা করেন। ঘটনাটি ঘটে ডগাইর পূর্বপাড়া গ্রীন সিটি এলাকায়। সাজ্জাদ রামপুরা থানাধীন মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এলাকার মৃত ছিদ্দিক আহম্মেদের ছেলে। সাজ্জাদের বিরুদ্ধ ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণে বাধ্য করার পাশাপাশি, শারিরীক-মানসিক নির্যাতন, ব্ল্যাকমেইল ও তার স্বামীর কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে। এক পর্যায়ে সাজ্জাদ ভুক্তভোগীর ছবি ব্যবহার করে ভুয়া ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটক আইডি খুলে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেয় এবং আত্মীয়-স্বজনদের কাছেও পাঠায়।


জানা যায়, বিগত ২০২২ সাল থেকে অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন ব্যবসায়িক পার্টনার ছিলেন  বাদি ইমাম হোসেনের সঙ্গে। এদিকে সমঝোতার মাধ্যমে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ওই পার্টনারশিপ শেষ হলেও তাদের পারিবারিক যোগাযোগ বজায় ছিল। সেই সুযোগে সাজ্জাদ প্রায়ই ইমামের ডেমরার বাসায় যাতায়াত করতেন। 


এদিকে ২০২৩ সালের এক সন্ধ্যায় সাজ্জাদ কৌশলে ইমামের বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরার শারীরিক ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে একাধিকবার ধর্ষণ করার ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করতে থাকে সাজ্জাদ। সম্প্রতি গত ১২ অক্টোবর রাতে সাজ্জাদ পুনরায় ওই বাসায় গিয়ে ভূক্তভোগীকে শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় ভুক্তভোগীকে মারধর করে পালিয়ে যায়। পরে গত ৫ নভেম্বর রাতে ইমাম হোসেনের ই-মেইলে অশ্লীল ভিডিও পাঠিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করে সাজ্জাদ।


এ বিষয়ে ডেমরা থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান জানান, গ্রেফতারের সময় সাজ্জাদের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে যেগুলোর মধ্যে অভিযোগের প্রমান মিলেছে।

সম্পর্কিত খবর

;