বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত

এবার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে

প্রকাশ : 01 Dec 2025
এবার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে

স্টাফ রিপোর্টার: সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালযের শিক্ষকরাও এবার কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এতে স্কুরের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়, অচল হয়ে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে ঠানা আন্দোলনের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী কর্মবিরতি শুরু করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। চার দফা দাবিতে আগে থেকেই আল্টিমেটাম দিরেও সরকারে পক্ষ থেকে কোন কার্যকর পদক্ষেপ না আসায় আজ সকাল থেকেই শিক্ষকরা শ্রেণিক্ষে প্রবেশ করেনি। 

আন্দোলনের মুল দাবি

×সহকারি শিক্ষক পদকে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের আওতায় আনা

×দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা পদোন্নতি, টাইম-স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাস্তবায়ন

×শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ ও পদায়ন

×২০১৫-পূর্ব বেতন-ভাতা কাঠামোর সমমান পুনর্বহাল

শিক্ষক সংগঠনের নেতারা জানা, প্রশাসনিক পদগুরোতে অসামঞ্জস্য ও বেতন-পদোন্নতিতে বৈষম্য হওয়ায় বহু বছর ধরে সরকরি মাধ্যমিক শিক্ষকরা অবহেলিত। সমাধানের কোনো ইঙ্গিত না পেয়ে আমরা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছি।

শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন আঞ্চলিক সূত্র জানায়, দেমের প্রায় সাড়ে ৭শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশেই আজ কোনো একাডেমিক কার্যক্রম হয়নি।

রাজধানী ঢাকায় প্রায় ৪০-৫০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হয়েছে।

বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী,রংপুর,সিলেট, বরিশালসহ প্রায় সবখানেই সকাল থেকে গেটে তালা ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।

শিক্ষক সমিতির হিসাবমতে, সারাদেশে সরকারি মাধ্যমিকে কর্মরত প্রায় ২০ হাজার শিক্ষক আজকে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

অনেক বিদ্যালয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন না করায় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বার্ষিক পরীক্ষা শুরুর পর এমন কর্মবিরতিতে শিক্ষার্থীরা পড়েছে দুর্বিপাকে। পঞ্চম পিরিয়ড থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষাগুরো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাজারো শিক্ষার্থী অনিশ্চিয়তায় পড়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্ত বলেন, দাবিগুলো পরীক্ষা নিরিক্ষা করা হচ্ছে। 

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছে, দাবি বাস্তবায়নে কোনো নিশ্চয়তা না পেলে কর্মবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে এবং শ্রেনীকক্ষ বর্জন কর্মসূচি আরও কঠোর করা হবে।

সম্পর্কিত খবর

;