সিলেট অফিস: দেশবব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে হোটেল ও রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ করেছ সুনামগঞ্জ জেলা হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ইউনিয়ন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি। মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় রায়পাড়াস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল সুনামগঞ্জ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূনরায় দলীয় কার্যালয়েসংক্ষিপ্ত সমাবেশ মিলিত হয। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা হোটেল রেষ্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিক ইউনিয়ন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত দাস সাধারণ টিটু দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক পপলু মিয়া, অর্থ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, প্রচার সম্পাদক আল আমিন, সদস্য আমির উদ্দিন, সাইফুল প্রমুখ।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের ফলে ৮ বছর পর গত ৫ মে হোটেল ও রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির চূড়ান্ত গেজেট ঘোষণা করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী যে মাসে গেজেট ঘোষণা হয়, সেই মাস থেকেই ঘোষিত মজুরি কার্যকর করার কথা। অথচ প্রায় ৫ মাস অতিবাহিত হতে চললেও এখনও পর্যন্ত হোটেল ও রেস্তোরাঁ প্রতিষ্ঠানসমূহে ঘোষিত গেজেট বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। সরকার ঘোষিত গেজেট অনুযায়ী মজুরি পরিশোধ করা না হলে বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ২৮৯-ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মালিককে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ গেজেট অনুযায়ী শ্রমিকের সকল বকেয়া পাওনা পরিশোধ করার কথা বলা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে প্রায় ৩৫ লক্ষ শ্রমিক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। প্রতিটি শ্রমিক পরিবারের সদস্য সংখ্যা গণনা করে হিসেব করলে দেখা যায় প্রায় দুই আড়াই কোটি মানুষ এই সেক্টরের সাথে সম্পর্কিত। দেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে অন্যতম বৃহৎ শ্রমজীবী মানুষদের জীবনমান অত্যন্ত নিম্নমানের। এশিয়ার অন্য দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি দুই শতাংশের নিচে থাকলেও বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি এখনো ৮ শতাংশের উপরে। এর ফলে জিনিসপত্রের দাম যেখানে অনেক কমার কথা সেখানে সকল প্রকার জিনিসপত্রের দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতির কারণে দেশের অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষের মতই হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিকরা এক দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। খেয়ে না খেয়ে, অভাব-অনটন ও দু:খ-কষ্টে তাদের জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। হোটেল মালিকরা প্রতিনিয়ত তাদের খাদ্য আইটেমের দাম বাড়ালেও শ্রমিকদেরকে নামেমাত্র মজুরি প্রদান করছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ৫-ধারা অনুযায়ী শ্রমিকদের নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদান বাধ্যতামূলক হলেও মালিকরা তা প্রদান না করে যখন তখন শ্রমিকদের চাকুরিচ্যুত করছে। শ্রম আইন স্বীকৃত ৮ ঘন্টার অধিক কর্মঘন্টার জন্য দ্বিগুণ মজুরি প্রদানের বিধান থাকলেও মালিকরা ওভারটাইমের মজুরি না দিয়ে শ্রমিকদের দিয়ে জোরপূর্বক ১২/১৩ ঘন্টা ডিউটি করতে বাধ্য করছে।
মহাসিন মিঞা লিটন: বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারির কাজ করাতে গিয়ে ঘুষ দাবি ও হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন কম্পিউটার ব্যবসায়ী মো. মিরাজ হোসেন। তার অভিযোগ, কয়েক দফায় টাকা দেওয়ার পরও আরও ...
আনিছ আহমেদ(শেরপুর)প্রতিনিধিঃ একটি সাঁকো যেন শুধু কাঠের তৈরি পথ নয়, ১০ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তির স্বপ্ন। বর্ষায় ভাঙা খাল পারাপারের দুর্ভোগ আর শুকনা মৌসুমে কাদামাখা পথে চলাচলের কষ্ ...
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:সাতক্ষীরায় মানব পাচার প্রতিরোধ নেটওয়ার্কের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায়, উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে এবং ‘রূপান্তর’-এর আয়োজনে আজ ১৭ অক্টোবর, ...
চট্টগ্রাম অফিস: কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেক সমুদ্ ...
সব মন্তব্য
No Comments