ডেস্ক রিপোর্ট: বাইচ নৌকা সংরক্ষণ সংগ্রাম কমিটির শনিবার ( ৬ জুলাই ২০২৪ ) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি এডভোকেট নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জনাব মোস্তফা আলমগীর রতন সভা সঞ্চালনা করেন। সারাদেশের প্রায় শতাধিক নৌকার মালিক ও প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। বর্ধিত সভায় সংগঠনের ৩১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির শুন্যপদ পূরণ করা হয়। সংগঠনের ঘোষণা ও উদ্দেশ্য বর্ধিত সভায় তুলে ধরা হয় এবং তা গৃহীত হয়। সংগঠনকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করার জন্য ১১ দফার দাবি নামা পেশ করা হয়। আগামী ২৮ জুলাই সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় ১১ দফা দাবিনামার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হবে।
১১ দফা দাবি নামা সমূহ-
১। বাইচ নৌকা সংরক্ষণের স্বার্থেই বাৎসরিক প্রণোদনা দেওয়ার জন্য সরকারে প্রতি আবেদন করা এবং প্রণোদনা দিতে সরকারের সংশিøষ্ট মন্ত্রণালয়কে বাধ্য করা।
২। ৮/৯ বছরের আয়ুষ কাল নিয়েই একটা নৌকা তৈরি করা হয়। এই নৌকার নষ্ট বা মৃত্যু হলে সরকারের পক্ষ থেকে নৌকা পুনঃনির্মাণে সহযোগিতা দেওয়ার জন্য আবেদন করা বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এই সহযোগিতার জন্য বাধ্য করা।
৩। নৌকা মালিক ও মাঝি মাল্লাদের জমা বিহীন পেনশনের আওতাভুক্ত করা। মাঝি মাল্লাদের পূর্ণ রেশনিং ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা।
৪। নৌকা মালিক ও মাঝি-মাল্লাদের প্রতি জনকে স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য স্বাস্থ্য কার্ড প্রদান করা ।
৫। জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান সহ বাংলাদেশের সকল বাইচ নৌকাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া এবং তালিকাভুক্ত করা, তালিকাভুক্তির মধ্যে কারা দুইতিন পুরুষ ধরে অথবা ২০ বছরের ঊর্ধ্ব কাল নৌকাবাইসের সাথে জড়িত তাদেরও তালিকাভুক্তকরণ করা।
৬। বাইচ নৌকা তৈরি করে এবং চালাচ্ছে বা চালিয়ে গেছেন যারা, যারা এই বাংলার ঐতিহ্যকে রক্ষা করে গেছেন, তাদের ইতিহাস রচনা করে একটি সংকলন বের করা।
৭। বিশ্বমানের নৌকা বাইচ করার ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগে মাঝি মালøাদের ট্রেনিং দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৮। সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে নৌকা বাইচের প্রতিযোগিতা, সর্বোপরি বিশ্ব নৌকা বাইচের প্রতিযোগিতা বাংলাদেশেরই উদ্যোগ নেওয়া এখনি প্রয়োজন।
৯। বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে অর্থ ব্যয় করে নৌকাবাজ প্রতিযোগিতা চালু রেখেছে সেই সকল উদ্যোগী মানুষগুলোকে বেছে বের করে এই সংগঠনের আওতাভুক্ত করা, এবং এই স্থান গুলোকে প্রতিবছর নৌকা বাইচের খেলা পরিচালনার নিশ্চয়তা বিধানে সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ সরবরাহ করার নিশ্চয়তা দেওয়া বা সরকারের নিকট থেকে অর্থ আদাই করা সংগ্রাম করা।
১০। নদীর স্রোত বা বহমানতা রক্ষা করার জন্য নদী খনন, দূষণমুক্ত রাখার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা । নদীর উপর ব্রিজ বা নদীর গতি বাধা সৃষ্টি করে এমন কোন নির্মাণ বিশেষজ্ঞ কর্তৃক সনদ প্রদান সাপেক্ষেই হওয়া।
১১। এই সংগঠন একটি অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করবে। আমাদের কেউ শত্রু নয়, আমাদের দাবির বিরুদ্ধে যারাই দাঁড়াবে তারাই আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত হবে।
স্টাফ রিপোর্টার: ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনেও গাজীপুরের বড়বাড়ী এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এ সময় তাদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া- ...
স্টাফ রিপোর্টার: কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে অবশ্যই সাশ্রয়ী পন্থায় বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থি ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ এর উপনির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০ ...
মোঃ রায়হান উদ্দিন, বেনাপোল প্রতিনিধি: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার লক্ষ্যে বিজিবি ও বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের ব ...
সব মন্তব্য
No Comments