ডেস্ক রিপোর্ট: বিশ্ব সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ দিবস উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত স্মরণ সভা করেছে সিআইপিআরবি (সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ)। আজ রবিবার রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়া রাজকন্যা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত স্মরণসভায় জানানো হয়, রোড ক্র্যাশে বাংলাদেশে মারা যায় ৩১ হাজার ৫৭৮ জন। মৃত্যুর এই সংখ্যা বা হার দিন দিন বাড়ছে।
কামারপাড়া জনকল্যাণ সোসাইটির সদস্য সচিব আলাউদ্দিন আলালের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন সিআইপিআরবি’র পরিচালক ড. সেলিম মাহমুদ চৌধুরী, সিআইপিআরবি’র রোড সেফটি প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার কাজী বোরহান উদ্দিন, স্থানীয় বাসিন্দা এমডি আবুল বাশার এবং সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারের সদস্য তিন বোন রাহিমা, নাসিমা ও রোজিনা।
সভায় ড. সেলিম মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধযোগ্য। তবে এটি প্রতিরোধে দরকার সম্মিলিত উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা। সড়কে অনিয়ন্ত্রিত গতিতে গাড়ি চালানো, রাস্তায় চলার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার, মোটর সাইকেল চালানোর সময় সঠিকভাবে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, গাড়িতে ভ্রমণের সময় সিটবেল্ট ও চাইল্ড রেস্ট্রিয়েন্ট ব্যবহার না করার কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোড ক্র্যাশ এবং তাতে মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, নিরাপদ সড়ককে সবার অধিকার। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন এ বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা করা এবং রোড ক্র্যাশে হতাহতের সঠিক সংখ্যা নিরুপনের মাধ্যমে যথাযথ কর্মপরিকল্পনা করা ও সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। সড়ক নিরাপত্তা জোরদারকরণে সংশ্লিষ্ট সকলকে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহবান জানান তিনি।
কাজী বোরহান উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে সচেতনতা তৈরী এবং পলিসি এডভোকেসি নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও সংস্থাটি রোড ক্র্যাশ সম্পর্কিত তথ্য ব্যবস্থাপনা, দুর্ঘটনা পরবর্তী ব্যবস্থাপনা, মোটরযানের গতিসীমা নির্দেশিকা প্রণয়নের গাইডলাইন তৈরি এবং সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারকে সর্বাত্বক সহায়তা প্রদান করবে।
সভাপতির বক্তব্যে আলাউদ্দিন আলাল বলেন, কিভাবে রাস্তায় চললে সড়ক দুর্ঘটনা হবেনা সে বিষয়ে আমরা পুরোপুরি জানতাম না। আলেচনার মাধ্যমে রাস্তা পারাপার ও ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। এখন থেকে আমাদেরকে সেই নিয়মগুলো মানতে হবে। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় সড়ক দুর্ঘটনা কমবে বলে আশাকরি। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে সম্মিলিত ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, রোড ক্র্যাশে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের স্মরণ, তাঁদের পরিবারকে সহমর্মিতা জানানো এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার উদ্দেশ্যে দিবসটি পালন করা হয়। স্মরণসভার আগে একটি র্যালী বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মহাসিন মিঞা লিটন: বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারির কাজ করাতে গিয়ে ঘুষ দাবি ও হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন কম্পিউটার ব্যবসায়ী মো. মিরাজ হোসেন। তার অভিযোগ, কয়েক দফায় টাকা দেওয়ার পরও আরও ...
আনিছ আহমেদ(শেরপুর)প্রতিনিধিঃ একটি সাঁকো যেন শুধু কাঠের তৈরি পথ নয়, ১০ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তির স্বপ্ন। বর্ষায় ভাঙা খাল পারাপারের দুর্ভোগ আর শুকনা মৌসুমে কাদামাখা পথে চলাচলের কষ্ ...
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:সাতক্ষীরায় মানব পাচার প্রতিরোধ নেটওয়ার্কের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায়, উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে এবং ‘রূপান্তর’-এর আয়োজনে আজ ১৭ অক্টোবর, ...
চট্টগ্রাম অফিস: কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেক সমুদ্ ...
সব মন্তব্য
No Comments