শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

প্রকাশ : 16 May 2024
শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ১৭ মে জাতির এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবনের ঐতিহাসিক নব সূচনা। ১৯৮১ সালের ১৭ মে আওয়ায়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন। তাই আজ শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৪৪তম দিবস আজ।এইদিন বেলা সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে কলকাতা হয়ে ঢাকার কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁঁছান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট রাতে বিপদগামী একদল সেনা কর্মকর্তা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেথ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেন। এসময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা বিদেশে থাকায় বেঁচে যান।
বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুন্ঠিত করে বাঙালী জাতির অস্তিত্ব বিপন্ন করতে নানামূখী ষড়যন্ত্র শুরু কের ঘাতক চক্র। বাঙালী জাতির জীবনে চেপে বসে ঘোর অমানিশার অন্ধকার।
জাতির এশের স্বাধীনতার চেতনাপন্থী চক্রান্ত চলাকালিন এই ক্রান্তিকালে ১৯৮১ সালের ১৪,১৫, ও ১৬ ফ্রব্রুয়ারি আওয়ামীলীগের জাতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বকে ভয় পায় তৎকালিন শাসকগোষ্ঠি ।শেখ হাসিনাকে স্বদেশ ফিরতে নাদেওয়ার সব ধরনের চক্রান্ত ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়।
সকল রক্তচক্ষু ও ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসমিনা।দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে নিজ ভূমিতে ফিরে অসেন বঙ্গবন্ধূ কন্যা । সেদিন ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজধানী মিছিলের নগরীতে পরিনত হয়। বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে এক নজর দেখতে সাধারন মানুষ ভীড় করেন্। পরিনত হয় জনসমুদ্রে। 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' শ্লোগানে মুখরিত হয় ঢাকার রাজপথ। জনতার বজ্রনিনাদে ঘোষিত হয়েছিল ' হাসিনা তোমায় কথা দিলাম পিতৃ হত্যার বদল নেব।শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম ।
বেলা ৪টা ৩২ মিনিটে শেখ হাসিনা বিমান থেকে সিঁড়ি দিয়ে ট্রাকে নেমে আসেন। কুর্মিটোলা থেকে শেরে বাংলা নগরে শেখ হাসিনাকে পৌঁছতে সময় লাগে ৩ ঘন্টা। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গণসংবর্ধনা মঞ্চে উপস্থিত হন তিনি।

আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৩ বছরের আন্দোরণ- সংগ্রামের পথচলা কখনও মসৃন ছিলনা। আন্দোলন সংগ্রাম করার কারনে বার বার কারাভোগ করতে হয়েছে।হামলা ও নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

;