ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সম্পাদিত চুক্তি-সমঝোতা বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী বলে দাবি করেছেন ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার ২৭ জুন সকাল সাড়ে ১০ টায় সেগুনবাগিচাস্থ আ ফ ম মাহবুবুল হক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই দাবি করেন।
বৈঠকে সভাপত্বিত করেন ফ্যাসিবাদবিরোধী মোর্চার সমন্বয়ক নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, কেন্দ্রীয় নেতা বেলাল চৌধুরী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান প্রমুখ।
বক্তাগণ বলেন, 'বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে গত ২১-২২ জুন দিল্লি সফর করেছেন। সেখানে দুই প্রধানমন্ত্রীর শীর্ষ বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে যেসব চুক্তি-সমঝোতা স্বাক্ষরের কথা বলা হয়েছে, তাতে ভারতের প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের নতজানু নীতির প্রকাশ ঘটেছে। ওসব চুক্তি-সমঝোতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে এবং ভারতীয়দের স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে।'
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার নেতৃবৃন্দ বলেন, 'বাংলাদেশের ভূখণ্ড ও রেলপথ ব্যবহার করে ভারতের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে মালামাল পরিবহনের যে সুবিধা ভারতীয়দের দেওয়া হবে, তা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্যে হুমকিস্বরূপ। ভারত সরকার ভবিষ্যতে এই করিডোর সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে। সিঙ্গেল লাইনের রেলপথে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের ফলে বাংলাদেশের ট্রেন যোগাযোগব্যবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি হবে। শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের জনগণকে অন্ধকারে রেখে ভারতীয়দের সুবিধার্থে এই সমঝোতা স্মারক সই করেছে। অথচ, ভারত সরকার ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতে না দেওয়ায় নেপাল ও ভুটানের সাথে বাংলাদেশের সম্পাদিত ট্রানজিট চুক্তি বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।'
নেতৃবৃন্দ বলেন, 'ভারতের সাথে সম্পাদিত চুক্তি-সমঝোতায় তিস্তা নদীর পানিতে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে এড়িয়ে গিয়ে তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্যে তিস্তা প্রকল্পে সহযোগিতা ও এ উদ্দেশ্যে কারিগরি টিম পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চীনের সাথে ভারতের দৃশ্যমান দ্বৈরথ তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। পদ্মা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের ব্যাপারে আলোচনা শুরুর আশ্বাস দিলেও, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধীতাকে অজুহাত করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এ ঘোষণা থেকে সরে আসতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা বন্ধের বিষয়ে কোনো ঘোষণা নেই।'
বাম মোর্চার নেতৃবৃন্দ বলেন, 'ভারতের গণবিরোধী শাসকগোষ্ঠীর সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যে আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছে। প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী আওয়ামী লীগ সরকারের ভারত-তোষণ নীতি এবং বাংলাদেশের ওপর ভারতীয় শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখে দাঁড়ানো এ মুহূর্তে সকল দেশপ্রেমিক-গণতান্ত্রিক জনগণের দায়িত্ব।'
রংপুর অফিস: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ে এক সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন। সমাবেশে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো দিন রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পারবে না।সমাবেশে স ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর গুলশান থানার প্রতারণার মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার, ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ...
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু এমপি বলেছেন, কেউ যদি মব সৃষ্টি করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, বিএনপি ...
স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে রোগীদের সুরক্ষার জন্যও ...
সব মন্তব্য
No Comments