বিশেষ প্রতিনিধি, নিউইয়র্ক : গতকাল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজুল্যুশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বাংলাদেশের পক্ষে রেজুল্যুশনটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবটি উপস্থাপনের সময় রাষ্ট্রদূত মুহিত বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে শান্তির সংস্কৃতির অব্যাহত প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে বলেন, সহিংসতা ও সংঘাত উত্তরণে সংলাপ ও সম্প্রীতির মাধ্যমে শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম সরকারের সময় ১৯৯৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে রেজুল্যুশনটি প্রথমবারের মতো গৃহীত হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর বাংলাদেশ ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজুল্যুশনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করে উচ্চ পর্যায়ের একটি ফোরামের আয়োজন করে আসছে। এতে ন্যায়বিচার, সাম্যতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সারা বিশ্বে শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করার জন্য শান্তির সংস্কৃতির রূপান্তরমূলক ভূমিকার ওপর আলোকপাত করা হয়।
এবারের রেজুল্যুশনটি বিশ্বব্যাপী নানাবিধ ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকায় সকল সদস্য রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর আলোকপাত করে। এটি সর্বস্তরে প্রতিরোধমূলক কূটনীতি ও সংলাপ জোরদার করার ওপর জোর দেয়। সংঘাত প্রতিরোধ ও সমাধানে নারীর অগ্রণী ভূমিকার পুনর্ব্যক্ত করে এটি এই ধরনের প্রক্রিয়ায় নারীদের পূর্ণ, সমান ও অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া, রেজুল্যুশনটি সহিংসতা ও সংঘাতের অন্তর্নিহিত কারণসমূহ চিহ্নিত করে তা মোকাবিলা করাসহ চলমান ডিজিটাল রূপান্তরের প্রেক্ষাপটে শান্তির সংস্কৃতিকে আরো উন্নীত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়।
রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, সময়ের সাথে সাথে রেজুল্যুশনটির প্রাসঙ্গিকতা বহুগুণে বেড়েছে, এর ফলে জাতিসংঘের প্রধান প্রধান কার্যাবলীতে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণাটি বৃহত্তর পদচিহ্ন রাখতে পেরেছে এবং একটি প্রভাব সৃষ্টিকারী রেজুল্যুশনে পরিণত হতে পেরেছে। তিনি আরো বলেন, ‘দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে এটি একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে প্রমাণিত যা বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে জাতিসংঘ সনদের দায়বদ্ধতার পরিপূরক হিসেবেও ভূমিকা রেখে চলেছে।
এবছর ১০০টির বেশি দেশ বাংলাদেশের এই রেজুল্যুশনটিকে কো-স্পন্সর করেছে যা ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণা এগিয়ে নিতে ব্যাপক সমর্থন। রেজুল্যুশনটির প্রতি অব্যাহত এই সমর্থন ও প্রতিবছর সর্বসম্মতভাবে এটি গ্রহণ, শান্তির প্রবক্তা হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশাল আস্থারই সাক্ষ্য বহন করে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ওমানের আল মিলিদ্দা শহরে প্রাইভেট কারের এসির গ্যাস বিস্ফোরণে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার একই পরিবারের চার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। গত মঙ্গলবার ১২ মে বিকেলে পার্কিংয়ে গাড়িটি চালু অবস্থায় এই ম ...
স্টাফ রিপোর্টার: লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আরও দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। মঙ্গলবার (১২ মে) দূতাবাসের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয় ...
ডেস্ক রিপোর্ট: লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুই বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। সোমবার, ১১ মে এই হামলায় তাদের সঙ্গে এক সিরীয় নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত সংবা ...
স্টাফ রিপোর্টার: যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির ...
সব মন্তব্য
No Comments