’মিট দ্যা প্রেস’
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকাকে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। বুধবার, ২০ মে সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মিট দ্যা প্রেস’–এ তিনি এ কথা বলেন।
কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগরীতে প্রায় তিন কোটি মানুষের বসবাস। এই নগরীতে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং, মাদকের বিস্তার, অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা ও হ্যাকিংয়ের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে গত ১ মে ২০২৬ থেকে বিশেষ অভিযান চলছে। তিনি স্পষ্ট জানান, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী এবং অনলাইন প্রতারকদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধী যে-ই হোক, তার কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না।
নাগরিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তায় ডিএমপির সাইবার ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি সিটিটিসির অধীনে স্থাপিত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব আইসিটি মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি অনলাইন জিডি, অপরাধের তথ্য জানাতে “হ্যালো ডিএমপি” এবং হোটেলে সন্দিগ্ধ ব্যক্তি শনাক্তে “হোটেল বোর্ডার সিস্টেম” চালু করা হয়েছে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে কমিশনার বলেন, ঢাকার যানজট নিরসনে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকে প্রযুক্তিনির্ভর করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআইভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপনের ফলে সড়কে আইন মানার প্রবণতা বাড়ছে।
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট, ঈদ জামাত, শপিংমল ও আবাসিক এলাকার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও রেলস্টেশনে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈদের ছুটিতে নগরীর নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন থাকবে। তিনি নগদ লেনদেন কমিয়ে ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন এবং বড় অংকের টাকা বহনে পুলিশের সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানান।
কমিশনার আরও বলেন, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, ছিনতাইকারী ও জালনোট প্রতিরোধে ডিবি ও থানা পুলিশ সক্রিয় রয়েছে। চাঁদাবাজি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সমাজের সবাইকে মিলে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অপরাধীর তথ্য থাকলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ জানান। পুলিশ সদস্য ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি গণমাধ্যমের উদ্দেশে বলেন, আপনারা গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি পুলিশের ভালো কাজেরও প্রচার করে নগরবাসীকে সচেতন করতে ভূমিকা রাখুন। পুলিশ, গণমাধ্যম ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে ঢাকাকে নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
মিট দ্যা প্রেসে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
গুড
চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ওই কর্মকর্তার নাম নরেন ধর।মঙ্গলবার, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর খুলশী এলাকায় সহকারী হাইকমিশ ...
স্টাফ রিপোর্টার: মঙ্গলবার, ১৯ মে সন্ধ্যায় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে আইন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে সচিবালয়ে কর্মরত সব বিচারককে আইন মন্ত্রণালয় ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দেশ ও সমাজের নানা স্তরের অসমতা দূর করতে অল পার্টি ককাস ক ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশীয় শ্রমঘন বিড়ি শিল্প রক্ষায় বিড়িতে শুল্ক বৃদ্ধি না করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন। সকাল ১০ টায় এ মানববন ...
সব মন্তব্য
No Comments