জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নুরুল আলম সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে ‘মিথ্যাচার’ করেছে বলে দাবি করছে শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৬ ফেব্রুয়ারি সমাবর্তনের ফি কমানো সহ অন্যান্য দাবিদাওয়া নিয়ে উপাচার্যের কাছে গেলে উপাচার্য দাবি পূরণে অপারগতা প্রকাশ করে।কারণ হিসেবে বলেন, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেট মিটিংয়ে সমাবর্তনের যাবতীয় সিন্ধান্ত হয়ে গেছে। ফলে কোন কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তখন উপাচার্যের কথা বিশ্বাস করে উপস্থিত ২৫০ অধিক শিক্ষার্থী চলে অাসে।
খোজ নিয়ে জানা যায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেটের কোন মিটিংয়ে অনুষ্ঠিত হয় নি। সিন্ডিকেট অনুষ্ঠিত হবে অাজ ৭ ফেব্রুয়ারি।
জহির ফয়সাল নামে এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেন, “জাবি উপাচার্য আমাদের সাথে মিথ্যাচার করেছে। আমরা সব শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে সমাবর্তনের কিছু দাবি দাওয়া নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে তিনি আমাদের মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। এই শিক্ষার্থীর সাথে সরাসরি কথা বললে তিনি জানান, “সমাবর্তনের সার্টিফিকেট ফ্রি-তে দেওয়ার দাবিসহ আরও কয়েকটি দাবি নিয়ে আমরা উপাচার্যের কাছে গিয়েছিলাম।
উপাচার্য আমাদের বলেছেন রবিবার ‘সিন্ডিকেট’ মিটিংয়ে সমাবর্তন নিয়ে সব সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, এখন তেমন কিছুই পরিবর্তন সম্ভব না। তিনি আরও বলেন, “উপাচার্যের কথা শুনে আমরা বের হয়ে যাই। বের হয়ে রেজিস্ট্রার অফিস থেকে জানতে পারি সিন্ডিকেট মিটিং আগামীকাল। এত বড় একটা মিথ্যাচার উপাচার্য আমাদের সাথে করেছেন! কীভাবে?” প্রশ্ন রাখেন তিনি।
এদিকে আজকে দাবি পেশ করতে যাওয়া আরও এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেন, “উপাচার্যের এমন মিথ্যাচার আমাদের হতাশ করেছে। আমরা আমাদের দাবি আদায়ের জন্য কালকে আবার রাস্তায় নামব।
উপাচার্যের কাছে দাবি জানাতে যাওয়া আইন ও বিচার বিভাগের আরেক ছাত্রী আতিকা বলেন, “কয়েকটি দাবি জানাতে আমরা শতাধিক শিক্ষার্থী গিয়েছিলাম উপাচার্যের কাছে। স্যার আমাদের যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, এখন কোনও ভাবেই নতুন কিছু করা সম্ভব না। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কথা বলে চলে আসি।
পরে জানতে পারি, স্যার সিন্ডিকেট মিটিং নিয়ে আমাদের সাথে মিথ্যাচার করেছেন। স্যার বলেছেন গতকাল সিন্ডিকেট মিটিং হয়ে গেছে, সেখানে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অথচ আমরা পরে জানতে পারি সিন্ডিকেট মিটিং আগামীকাল। উপাচার্য এরকম ভুল বুঝিয়ে পাঠিয়ে দেওয়াকে তিনি দুঃখজনক বলেছেন।
এ বিষয়ে সিনিয়র অধ্যাপকরা বলেন, ৭ তারিখ সিন্ডিকেট হবে এটা সবাই জানে। গত ১৫ দিন অাগে থেকেই সবাই জানে। যদি উপাচার্য এমনটি করে থাকে তাহলে তিনি নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছে।
উপাচার্য কেন মিথ্যাচার করেছেন জানতে চাওয়ার জন্য দিন ব্যাপী ওনাকে ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি। এদিকে জানা যায়, উপাচার্যের কাছে আগামীকাল আবারও দাবি জানাবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
স্টাফ রিপোর্টার: উচ্চশিক্ষা ও বিদেশে কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখিয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অভিযোগকারীদে ...
ডেস্ক রিপোর্ট: আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে দীর্ঘদিনের বিচ্যুতি ও একপেশে ইতিহাস সংশোধন করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর ...
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর নতুন ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে যোগদান করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. একরামুল হক। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর-এঁর অনুমো ...
স্টাফ রিপোর্টার; পূর্নাঙ্গ উৎসব ভাতা প্রদান ও মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের লক্ষ্যে আসন্ন বাজেটে শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স ...
সব মন্তব্য
No Comments