আ’লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাকে হয়রানীর অভিযোগ

প্রকাশ : 08 Dec 2024
আ’লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাকে হয়রানীর অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ কসবা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ ইলিয়াস ও তার ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলম মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রীর হয়রানীর শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।  রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাদেরকে এই হয়রানী করা হচ্ছে বলে রবিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন। এরআগে গত ৫ ডিসেম্বর সাংবাদিক সম্মেলন করে ইলিয়াছ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়া তার স্বামীর জায়গা দখলের অভিযোগ করেন। পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে মোঃ ইলিয়াছ ও জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তাদেরকে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যেই সুপ্রিয়া উদ্দেশ্যেমূলক সাংবাদিক সম্মেলন করে মিথ্যা বক্তব্য তুলে ধরেছেন। 

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম লিখিত বক্তব্যে জানান, সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার আপন শাশুড়ী, ৫ ননদ, চাচা শ্বশুর ও চাচা শ্বশুরের ওয়ারিশগণের কাছ থেকে তিনি খরিদা সূত্রে সাফ কবলা দলিল মুলে ২ একর ১৭ শতাংশ ৩৭ পয়েন্ট জায়গার মালিক হয়েছেন। এরপর থেকে ১৪ বছর ধরে ওই জায়গার ভোগ দখল করছেন। সেখানে ঘর এবং দোকান ঘর নির্মান করা ছাড়াও পুকুরে মৎস্য চাষ করছেন এবং সরকারকে নিয়মিত খাজনাদি পরিশোধ করছেন। ফলে সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। তারা অভিযোগ করেন, সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়া আওয়ামীলীগ শাসনামলে সাবেক আইন মন্ত্রী, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র ও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দকে দিয়ে কসবা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ ইলিয়াস ও তার পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা মামলা দিয়ে দীর্ঘদিন বাড়ি ঘর ছাড়া করে রাখেন। সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়া গত ৭ আগষ্টের পর থেকে আমাদের অত্যাচারে বসত বাড়িতে থাকতে পারেননা বলেও মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন। কারণ তার বশত বাড়ির বিল্ডিং দীর্ঘদিন যাবৎ সহকারী পুলিশ সুপার এর কার্যালয় হিসাবে ভাড়া দেয়া রয়েছে। মুহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, আমি কসবা উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি, কসবা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, কসবা পৌরসভার প্রশাসক ও নির্বাচিত মেয়র ছিলাম। আমার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী ছিলেন সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার আপন বড় মামা মোঃ মোশারফ হোসেন ইকবাল। গত ১৯৯৭ইং সালে কসবা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ২০১১ সালের কসবা পৌরসভার মেয়র পদে আমার নিকট বিপুল ভোটে তিনি পরাজিত হন। তারই আক্রোশে এবং আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে তার আপন বোনের মেয়ে সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়াকে দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে আমাকে সমাজে ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় করতে সাংবাদিক সম্মেলন করে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়। তাছাড়া সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়া যে জমি নিয়ে অভিযোগ করেছেন তা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়া অনুমতি ব্যতিত সাংবাদিক সম্মেলনে আমার ছবি দিয়ে ব্যানার করেছেন এবং কুৎসিৎ ভাষায় মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যে প্রণোদিত বক্তব্য রেখেছেন। আমি এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।  


সম্পর্কিত খবর

;