ডেস্ক রিপোর্ট: শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের লক্ষে পূর্ণাঙ্গ উৎসব বোনাস ও সরকারি নিয়মে বাড়িভাড়ার দাবি করছে বাংলাদেশ মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সমিতি। ১৪ সেপ্টেম্বর, শনিবার সকাল ১১ টায় পুরানাপল্টনস্থ মুক্তিভবনে কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় বরাবরের মতো এ দাবি তোলা হয়। বাংলাদেশ মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. নূরে আলম বিপ্লবের সঞ্চালনায় বিভিন্ন আলোচ্যসূচীর উপর বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ঢাকা মহানগরের আহবায়ক মোহাম্মদ ইয়াছিন, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি অমৃত কারণ,কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আমির হোসেন, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সভাপতি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক আসমান আলী, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রকাশ বৈদ্য, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক ও মুন্সিগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি নিরঞ্জন সরকার, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা, কেন্দ্রীয় সদস্য ওসমান গনি ও রফিকুল ইসলাম জাহিদ।
সভা হতে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ০৮অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে জেলা প্রশাসক কিংবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি পেশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন ভাতা বৈষম্যের শিকার। এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা বাড়িভাড়া পাচ্ছেন কেবল ১ হাজার টাকা, উৎসব ভাতা ২৫%, চিকিৎসা ভাতা ৫'শ টাকা। যা নিতান্তই পরিহাসের। এ ধরনের অপনীতি শিক্ষকবিরোধীই নই,শিক্ষাবিরোধীও বটে। প্রতিবছর বাজেট উপস্হাপন দেখলে এ দেশকে গরীব বলার কোন কারণ নেই। কিন্তু শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাংলাদেশে সবচেয়ে কম। অথচ শিক্ষকদেরকে বলা হয় জাতি গড়ার কারিগর। এটা মুখরোচক বুলি ছাড়া আর কিছুই না। দুঃখজনক হলেও বলতে হয় ৯৬ হাজার শুন্যপদের বিপরীতে কেবল আবেদনকারী ২৪ হাজার। এতো বেকারত্বের মধ্যেও শিক্ষিত বেকাররা শিক্ষকতা পেশায় আসতে চাচ্ছেন না।তার কারণ বেতন বৈষম্য, সামাজিক মর্যাদা ও নিরাপত্তার অভাব।
বিগত সরকারগুলো এসব সমস্যা-সমাধানে আন্তরিক ছিলেন না। আমরা মনে করি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে শিক্ষকদের জীবন-জীবিকা, মর্যাদার বিষয়ে গুরুত্ব দিবেন এবং এমপিওভূক্ত শিক্ষা জাতীয়করণের লক্ষে বেতন-ভাতা বৈষম্য দূর করে শিক্ষাব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করে একটি টেকসই জাতি গড়ে তুলবেন।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. নূরে আলম বিপ্লব বলেন, শিক্ষকগণ এখনও নাজেহাল হচ্ছেন, বিশেষ করে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ যা খুবই হতাশাজনক। এটা এখনই বন্ধ করতে হবে। সাধারণ শিক্ষকগণ যুগ যুগ ধরে নির্যাতন হবার ধারাবাহিকতাও এ নির্যাতনের একটা মাত্রা। এ নির্যাতন শুরু হয়ে আসছে প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে ম্যানেজিং কমিটি পর্যন্ত। ফলে ম্যানেজিং কমিটির অরাজকতা মেনে নেয়া যাবে না, এ প্রথা বাতিল করতে হবে।
স্টাফ রিপোর্টার: কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে অবশ্যই সাশ্রয়ী পন্থায় বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থি ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ এর উপনির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০ ...
মোঃ রায়হান উদ্দিন, বেনাপোল প্রতিনিধি: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার লক্ষ্যে বিজিবি ও বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের ব ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভ ও অসন্তোষের দিকে ভারত নজর রাখছে। আজ মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপ ...
সব মন্তব্য
No Comments