চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদন পায়নি
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বর্তমান সরকারের চতুর্থ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৩ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা ব্যয়ের মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে বহুল আলোচিত ও সম্ভাব্য তালিকায় থাকা ‘চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রকল্পটি সভায় অনুমোদন পায়নি।
মঙ্গলবার ৯ জুন দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নতুন ও সংশোধিত মিলিয়ে এই প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সরকারি ভিত্তিতে (জি-টু-জি) প্রায় ৭৮৩ একর জমিতে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার প্রস্তাবটি একনেক সভার কার্যসূচিতে থাকলেও শেষ পর্যন্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি ব্যয় ১ হাজার ৭২ কোটি টাকা এবং বাকি ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা চীনা সহায়তা থেকে আসার কথা ছিল।
সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে প্রথম সমঝোতার পর ২০১৬ সালে ভূমি অধিগ্রহণ করা হলেও ঠিকাদার নিয়োগ ও মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতায় প্রকল্পটি দীর্ঘদিন স্থবির ছিল। শুরুতে অবকাঠামো উন্নয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানিকে (সিএইচইসি)। কিন্তু তাদের সঙ্গে চুক্তি হয়নি। পরে ২০২২ সালে চীনা সরকারের পক্ষ থেকে চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনকে (সিআরবিসি) নতুন ডেভেলপার হিসেবে মনোনীত করা হয়। বেজা ও সিআরবিসি যৌথভাবে একটি কোম্পানি গঠন করে। সেখানে ৩০ শতাংশ মালিকানা পায় বেজা এবং ১০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বিনিময়ে ৭০ শতাংশ শেয়ার পায় চীনা প্রতিষ্ঠানটি।
তবে সরকারি ক্রয়নীতি অনুযায়ী, একই প্রতিষ্ঠান সম্ভাব্যতা যাচাই ও ডেভেলপার—দুই ভূমিকায় কাজ করতে পারে না। এই প্রকল্পে সিআরবিসি উভয় কাজই করেছে বলে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া প্রকল্পের ডেভেলপার অ্যাগ্রিমেন্ট ও জমি ইজারা চুক্তির খসড়া এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এসব কারণে প্রকল্পটি একনেকে উত্থাপন করা হলেও অনুমোদন দেওয়া হয়নি বলে পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বেজার নির্বাহী সদস্য (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আগে সরকারের অগ্রাধিকারে হয়তো এ জোন ছিল না। নতুন সরকার কর্মসংস্থানের জন্য প্রকল্পটি এগিয়ে নিচ্ছে। তবে প্রক্রিয়াগত কিছু কাজ বাকি থাকায় এবার অনুমোদন হয়নি।’
এদিকে আজকের একনেক সভায় অনুমোদিত ১০টি প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ ৫৬৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৪৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ, সড়ক ও স্থানীয় সরকার খাতের কয়েকটি প্রকল্প।
পরিকল্পনা সচিব এস এম শাকিল আখতার বলেন, ‘রাস্তাঘাট নির্মাণ, বিদ্যুৎ লাইন ও উপযোগ সেবার মতো প্রাথমিক কাজগুলো করে দেওয়া হবে। চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে পরবর্তী একনেকে উপস্থাপন করা হবে।’
স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউ এনার্জি ভেহিকেল (এনইভি) উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি গ্লোবাল র্যাঙ্কিংয়ে ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। সেন্টার অব অটোমোটিভ ম্যানেজমেন্ট (সিএএম) কর্তৃক প্রকাশি ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রৌপ্যের দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাজুস শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ থেকে স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে সার ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ তিনটি পুরস্কার জিতেছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। টানা তৃতীয় বারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এ আয়োজনে স্বীকৃতি পেল প্রতিষ্ঠানটি। এ অর্জনের মাধ্যমে দেশের জুতা শিল্পে ...
স্টাফ রিপোর্টার: বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, দেশের অর্থনীতি এখন বহুমাত্রিক চাপের মুখে রয়েছে। সামষ্টিক অর্থনীতি, আর্থিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন খাত ও সামাজিক চাপ একসঙ্গে ...
সব মন্তব্য
No Comments