বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ ১৪ এপ্রিল শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ-১৪৩০ উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে আজ সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রা শাহবাগ মোড় হয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হয়। ইউনেস্কো কর্তৃক ‘মানবতার স্পর্শাতীত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষিত মঙ্গল শোভাযাত্রার এবারের স্লোগান হচ্ছে ‘বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি’।
বর্ণাঢ্য ও জাঁকজমকপূর্ণ এই মঙ্গল শোভাযাত্রায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, এমপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমানসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সর্বসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রায় এবার স্থান পেয়েছে ৫টি মোটিফ। মোটিফ ৫টি হলো- টেপা পুতুল, ময়ূর, নীল গাই, হাতি ও বাঘ। একইসঙ্গে শোভাযাত্রায় বিভিন্ন মুখোশ, পেঁচা, ঘোড়া, পুতুল, নকশি পাখি ও বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা হয়। পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আগতরা কোন ধরনের মুখোশ পরেনি এবং ব্যাগ বহন করেনি। তবে চারুকলা অনুষদ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেউ ভুভুজিলা বাঁশি বাজায়নি। এছাড়া, ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি ছাড়া অন্য যানবাহন ও মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ ছিল।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং সকলের সুখ, শান্তি, আনন্দ, সমৃদ্ধি ও অনাবিল মঙ্গল কামনা করেছেন। তিনি বলেন, এই মঙ্গল শোভাযাত্রা আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এখন এটি ওয়ার্ল্ড মেমোরি অব হেরিটেজের অন্তর্ভুক্ত। ফলে এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যটি আন্তর্জাতিক স¤প্রদায় এবং বিশ্বের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর কাছে একটি অসাধারণ সম্পদ। সেটি সংরক্ষণ ও সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সকলকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অতীতের গøানি, দুঃখ, জরা মুছে অসুন্দর ও অশুভকে পেছনে ফেলে নতুন কেতন উড়িয়ে বাংলা নববর্ষ-১৪৩০ সকলের জীবনে আরও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। তথ্য-প্রযুক্তি ও জ্ঞান নির্ভর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ সকল ক্ষেত্রে নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশ নবউদ্যোমে এগিয়ে যাবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আরও বলেন, এই মঙ্গল শোভাযাত্রা অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। এই মঙ্গল শোভাযাত্রা অসা¤প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার বার্তা দেয়। মঙ্গল শোভাযাত্রার চেতনা ও মূল্যবোধ সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য উপাচার্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ঐতিহাসিক বটতলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ১১ জ্যৈষ্ঠ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে দেশজুড়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি ও আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে ‘নবায ...
ডেস্ক রিপোর্ট: পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিম বঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানিয়েছেন।এতে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার বিচার আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ...
সব মন্তব্য
No Comments