স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) আতিকুর রহমান ও সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও তাদের সিন্ডিকেটদের দ্রুত অপসারণসহ ১৪ দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন বৈষম্যের শিকার এবং বেআইনিভাবে চাকুরিচ্যুত শ্রমিক ও কর্মচারীরা।
সোমবার রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের প্রধান ফটক আটকে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে এসব দাবি জানান তারা।
আন্দোলনকারীরা বলেন, এই হোটেলে কিছু দুর্নীতিবাজ দুর্নীতির মাধ্যমে হোটেলকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নারী শ্রমিকের প্রতি অসৎ আচরণের দায়ে অভিযুক্ত। সচিব, সিভিলাইজেশন অ্যান্ড ট্যারিজম মিনিস্ট্রি এবং সচিব, মন্ত্রি পরিষদ (কেবিনেট ডিভিশন) হোয়াটসঅ্যাপে আপত্তিকর কথোপকথনের তথ্য প্রমাণ রয়েছে। এসব অভিযোগগুলোকে আড়াল করার জন্য নিজেরাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে।
এছাড়া একের পর এক ডিসকাউন্ট দিয়ে হোটেলের ব্যবসা অধিকতর ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে যা ফাইনান্স ডিপার্টমেন্টে নথিভুক্ত। প্রতিটি বোর্ড মিটিংয়ের দিনে প্রত্যেক বোর্ড মেম্বারদের পরিবারের জন্য টেক এওয়ে ডিনার পাঠানো হয় যা পূর্বে কখনো ছিল না। এতে করে হোটেল তার রেভিনিউ হারাচ্ছে। যদিও এর কোনো স্ট্যান্ডার্ড পলিসি নেই।
ইন্ডিয়ান জেনারেল ম্যানেজার লিমেরিডিয়ান হোটেল থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর অত্র হোটেলে কিভাবে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেল এবং নিয়োগের পর তার দলবল নিয়ে অবৈধভাবে অত্র হোটেলে নিয়োগ প্রদান করেছে। হোটেলের শুরু থেকে প্রত্যেকটি জেনারেল ম্যানেজার হোটেলের মধ্যেই বসবাস করতেন। কিন্তু ইন্ডিয়ান জেনারেল ম্যানেজার কিভাবে গুলশানে ২ লাখ টাকা ভাড়ার এপার্টমেন্ট বরাদ্দ পেল। এতে প্রতি মাসে কোম্পানির ২ লাখ টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। একই সাথে এফ অ্যান্ড বি বিভাগের ডিরেক্টরের জন্য গুলশানে এপার্টমেন্ট বরাদ্দ আছে। যা হোটেলের জন্য অতিরিক্ত ব্যয়। ইন্ডিয়ান জেনারেল ম্যানেজারের ব্যবহারে বুঝা যায় যে, তিনি হোটেলিয়ার নন। সবসময় শ্রমিক এবং কর্মচারীদের সাথে অসদাচরণ করে থাকেন। এর জন্য শ্রমিক ও কর্মচারীর মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। জেনারেল ম্যানেজার অন্যায়ভাবে যাকে তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছেন এবং অনেককে জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করেছেন।
এ সময় তারা ১৪ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো: এমডি সহ উল্লেখিত সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও তাদের সিন্ডিকেটদের দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
বি আই সি সি প্যাড ইস্যুর সকল শ্রমিককে চাকরিতে পুর্নবহাল। ২০২০ সাল হতে এই এইচআর ডিরেক্টর এবং তার সাজানো তদন্ত কমিটি দ্বারা অবৈধভাবে বহিষ্কৃত সকল শ্রমিকদের চাকরি ফেরত দিতে হবে। দীর্ঘদিন যাবত বঞ্চিত শ্রমিকদের পদোন্নতি দিতে হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের ওপর বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাবে আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, অন্তত আগামী ...
স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনে মোছাঃ নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জেলাপ্রশাসকদের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকগণ ...
স্টাফ রিপোর্টার: উর্দুভাষীদের জীবন মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন কাউন্সিল অফ মাইনোরিটিজ। সংগঠনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জীবনমান উন্নয়নে উর্দুভাষীদের ক্যাম্প জীবনের অবসান করে প ...
সব মন্তব্য
No Comments