অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সুনির্দ্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি

প্রকাশ : 13 Jan 2025
অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সুনির্দ্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি


স্টাফ রিপোর্টার: প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সুনির্দ্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। তারা রক্তাক্ত জুলাইয়ে হতাহতদের সর্ব্বোচ্চ ন্যায় বিচার নিশ্চিত, ক্ষতিপূরণ প্রদান ও আন্তর্জাতিক মানের পুর্নবাসন এবং গত ১৬ বছরে খুন, গুম ও আয়নাঘরের মত ভয়ংকর নির্যাতনের ঘটনার ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। রাজধানীর রায়ের বাজার হাইস্কুল মিলনায়তনে ‘রক্তিম জুলাই-২৪ এর ঐতিহাসিক বিজয়ের পর তরুণদের কল্পনায় একটি নতুন বাংলাদেশ’ র্শীষক সংলাপে  সভাপতিত্ব করেন মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের মহাসচিব মাহবুল হক। সংলাপে বক্তৃতা করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারী ড. মু শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির সহকারী সদস্য সচিব ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক, গণঅধিকার পরিষদের সেক্রেটারী রাশেদ খান, জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব প্রমূখ।

সংলাপে বিএনপি নেতা আবদুস সালাম বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরে হাজারো মানুষকে নিষ্ঠুর ও অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। রক্তাক্ত জুলাইয়ে দুই হাজারের অধিক নিহত ও ত্রিশ হাজারের অধিক আহত হয়েছে, যার অধিকাংশই নিম্ন আয়ের তরুণ জনগোষ্ঠি। যে কারণে আপামর জনগণ প্রতিবাদী হয়ে রাজপথে নেমে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। তিনি বলেন, তরুণরা এমন নতুন বাংলাদেশে দেখতে চায়, যেখানে কোন ধরনের বৈষম্য থাকবে না, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ থাকবে, কোন ধরণের বল প্রয়োগ থাকবে না এবং যেখানে সকল নাগরিক ভয়ভীতি ও বৈষম্য ছাড়াই মানবাধিকারের সুরক্ষা পাবে। এ জন্য নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

ড. মু শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, বাংলাদেশকে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠাই হবে জুলাই বিপ্লবের স্বার্থকতা। আন্দোলনে তরুণরা বলেছে, ‘লাখো শহীদের রক্তে কেনা এই দেশটা কারো বাপের না’। বাংলাদেশকে সকলের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে পদক্ষেপ নিতে হবে।

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক বলেন, এখনো প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ভোটার আইডি কার্ড দেওয়া হয়নি, তাদের কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই এবং অনেকেই এখনো ভোটার হতে পারেনি। কেউ কেউ ভোটার হলেও ভোট দিতে পারেনি। এই বৈষম্যের অবসান চাই।

সম্পর্কিত খবর

;