শেখ হাসিনার পদত্যাগে রাজপথে উল্লাস

প্রকাশ : 05 Aug 2024
শেখ হাসিনার পদত্যাগে রাজপথে উল্লাস

স্টাফ রিপোর্টার: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সরকার পতনের দাবির মুখে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশে ছেড়ে যাওয়ার খবরে রাজধানিসহ সারেদেশে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে হাজার হাজার জনতা। 

সোমবার ( ০৫ আগষ্ট ) দুপুরের দিকে পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে শাহবাগে ছুটে আসতে থাকে হাজার হাজর বিক্ষােভকারী। মহুর্তে জনসমুদ্রে রুপ নেয় শাহবাগ, টিএসসি এলাকা। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ঢুকে পড়ে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীরা। পর্যায়ক্রমে বিক্ষুব্ধ জনতা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সংসদ ভবনে ঢুকে পড়ে। তখন ছিলনা কোন আইনশৃংখলা বাহিনী প্রতিরোধ বা বাধা। 

গণভবনে বিক্ষােভকারীরা ঢুকে স্লোগান ও উল্লাস করতে থাকে।বাংলাদেশের পতাকা হাতে অনেকে গণভবনের চূড়ায় ওঠেন।

একইভাবে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় প্রবেশ উল্লাস করেন।

বিক্ষুব্ধ কিছু জনতা আসবাব পত্র থেকে শুরু বিভিন্ন জিনিস পত্র নিয়ে গেছে গণভবন, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ও সংসদভবন থেকে। চাল,ডাল,মাছ, মাংস নিয়ে যেতে দেখা গেছে। যা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে পড়ে।

অনেকে গণভবন ও সংসদ ভবনের লেকে সাতার কেঁটেছে। অনেকে মাছ ধরার উৎসবে মেতেছেন।

বিক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় ও ধানমন্ডির কার্যালয়সহ বঙ্গবন্ধুর মুরাল ও স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলে্ ও আগুন ধরিয়ে দেয়। বিভিন্ন থানা ও পুলিশ বক্সে হামলা করা হয়। এতে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার ( ০৩ আগষ্ট ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধি ছাত্র আন্দোলন সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন ঘোষণা করেন। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে সংঘাত-সংঘর্ষ। রোববার এক দিনেই সারাদেশে প্রায় শত নিহত হয়্। আহত হয় কয়েকশত মানুষ।

এক পর্যায় সোমবার 'মার্চ টু ঢাকা' আহবান করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ ঘোষণা করা হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে পদত্যাগ করে দেশে ছাড়েন শেখ হাসিনা।


সম্পর্কিত খবর

;