ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো) ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস)-এর মধ্যে বিদ্যমান অসন্তোষের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কাঠামো পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা পর্যালোচনার জন্য গত ২৪ জুন ২০২৫ তারিখে দু’টি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করেছে।
কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বাপবিবো কর্তৃক বিভিন্ন তারিখে পবিস-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের বদলিগুলো পুনর্বিবেচনা করার জন্য পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পর্যায়ক্রমে সাময়িক বরখাস্ত ও অন্য বিষয়গুলো সম্পর্কে সহানুভূতিশীল হওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এতদসত্ত্বেও গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে একশ্রেণির পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারী তথাকথিত ‘গণছুটি’র নামে অন্যদের কাজে বাধা দেওয়ার মতো আইনবহির্ভূত কার্যকলাপে লিপ্ত হয়। সরকার সহনশীলতার সাথে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে তাদের কাজে যোগদান করতে নির্দেশনা প্রদান করে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে বেশকিছু সংখ্যক কর্মচারী ছুটি প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেন এবং অনেকে বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে কাজে যোগদান করতে সক্ষম হননি বলে জানা যায়। সরকার পর্যায়ক্রমে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া ও অভিযোগগুলো সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করছে। যেকোনো প্রক্রিয়ায় সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ক্ষমা প্রার্থনা করে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করলে সরকার তাদের বরখাস্তের আদেশ পুনর্বিবেচনা করবে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অন্যতম দাবি হলো পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ক্রয় কার্যক্রমের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ। এ বিষয়ে সরকার একজন সাবেক সচিবের নেতৃত্বে বাপবিবো এবং পবিস-এর অভিজ্ঞ কর্মকর্তা এবং বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের প্রকিউরমেন্ট সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো, বিশেষ করে বিগত পাঁচ বছরে ক্রয় প্রক্রিয়া, ক্রয় পরিকল্পনা, প্রাক্কলিত মূল্য, দরপত্র পদ্ধতি, পণ্য ও অন্যান্য সরঞ্জামের স্পেসিফিকেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে পিপিআর-২০০৮-এর বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না এবং দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে কি না তা যাচাইপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করবে।
এছাড়া, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভবিষ্যৎ কাঠামো সম্পর্কে ইতিপূর্বে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন ও অন্যান্য অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যেখানে আইন সংশোধন, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো ও অন্যান্য অংশীজনের মতামত গ্রহণ এবং আর্থিক বিষয়ের নিবিড় পর্যালোচনা প্রয়োজন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিদ্যমান ‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্মচারী চাকরি বিধি, ১৯৯২ (সংশোধিত-২০১২)’ হালনাগাদকরণ করা হবে। এর ফলে পবিস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি বিষয়ে প্রশাসনিক ও আর্থিক বিভিন্ন যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনা করা সম্ভব হবে।
এই প্রেক্ষিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজে বাধা দেওয়ার মতো আইনবহির্ভূত কাজ থেকে বিরত থাকতে এবং অবিলম্বে কাজে ফিরে আসার জন্য পুনরায় নির্দেশ প্রদান করা হলো। অন্যথায় বিদ্যুতের মতো অত্যাবশ্যকীয় সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর গণছুটির আবেদন গ্রহণপূর্বক সরকার তা স্থায়ী ছুটিতে রূপান্তর করতে বাধ্য হবে।
স্টাফ রিপোর্টার: নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে, ০১ জানুয়ারি ২০০৮ বা তার পূর্বে জন্মগ্রহণকারী এবং ২৪ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ভোটার ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে খসড়া ভোটার ...
স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হবে। এ উপলক্ষে হজযাত্রীদের সার্বিক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
...
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পুরো শহরকে ...
স্টাফ রিপোর্টার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও দেশের আইনি কাঠামোর ধারাবাহিকতা রক্ষায় স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ ...
সব মন্তব্য
No Comments