স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশে কোটাবিরোধীদের বিক্ষোভ কর্মসুচি রাজপথ, রেলপথ অবরোধে কর্মজীবি মানুষের চড়ম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে কয়েকশত। সারাদেশের সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানাযায়, রাজধানীর সাইন্সল্যাব, মতিঝিল, চাঁনখারপুল, মিরপুর, গাবতলী, মহাখালী, বাড্ডা, যাত্রবাড়ি, উত্তরাসহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ফরিদপুর, বরিশাল, খুলনা, রংপুর, সিলেটে সড়কে কোটাবিরোধীরা অবস্থান নিলে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
চট্টগ্রামে কোটাবিরোধীদের সাথে সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।এছাড়া রাজধানীর ঢাকা কলেজের সামনে ১ জন , রংপুর ১ জন নিহত হয়।
এদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় পাল্টা কর্মসুচি দিলে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতংঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সারাদেশ থেকে পাওয়া তথ্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্কের চিত্র দেখাগেছে।
রাজশাহী থেকে আমাদের প্রতিনিদি পাভেল ইসলাম মিমুল জানিয়েছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিভাগীয় শহর রাজশাহী। এর মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বঙ্গবন্ধু হলে থাকা মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়াসহ শহরের বিভিন্ন অংশে খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল থেকে কর্মসূচি নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে আছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগ,যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস,রাজশাহী কলেজ ও শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ,বিক্ষোভ মিছিল,ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও রাবি বঙ্গবন্ধু হলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজশাহীজুড়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনরতরা। এর আগে রাজশাহী কলেজে আন্দোলনরতদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে এবং রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর বিকেল থেকে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু হলে আগুন দেয় কোটা সংস্কার ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের একাংশ। এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর করা হয় এবং থেকে ১৮ থেকে ১৯টি মটরসাইকেল ও সাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।
এ ঘটনায় ভেতরে আটকা পড়েন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন,আগুন দেওয়া বেশিরভাগ বাইকগুলো ছিল ছাত্রলীগ নেতাদের। তবে সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও বাইক- বাইসাইকেল ছিল বলে জানা গেছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণের পর বিকেল সোয়া ৪ টার দিকে আটকে পড়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা ওই হল থেকে বেরিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে উপসহকারী পরিচালক আখতার হামিদ খান জানান, ৩টা ৪০ মিনিটে রাবি বঙ্গবন্ধু হলে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ১৮-১৯টি মোটরসাইকেল,বেশকিছু বাইসাইকেল ও আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে যায়। তবে কেউ হতাহত হননি। ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন,ক্যাম্পাসে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে বিশৃঙ্খলা রোধে আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। বঙ্গবন্ধু হলে আগুন দেওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন,কোটা আন্দোলনকারীরা বঙ্গবন্ধু হলের নিচতলায় আগুন দিয়েছেন। এরই মধ্যে আগুন নেভানো হয়েছে। রাবি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফিরলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
বশেমুরবিপ্রবি থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছে, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(বশরমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। কোটা বিরোধী কয়েক হাজার শিক্ষার্থী হাতে লাঠি, বাঁশ এবং ইট, পাটকেল নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়। বিপরীতে নিশ্চুপ ছিলো বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা।
আজ মঙ্গলবার সাড়ে ৩ টা থেকে বিক্ষোভ করেছে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের শুরুতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটক এসে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে । বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা এবং অন্য ফটকে গোপালগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়।
এসময় আন্দোলনকারি শিক্ষার্থীদের হাতে লাঠি, রড,স্টিল ও প্লাস্টিকের পাইপ নিয়ে মিছিল দেয়। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সামনে দিয়ে গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়কের অবস্থান নেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অনুরোধে তার সড়ক ছেড়ে ক্যাম্পাসের মধ্যে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করতে থাকে।
এর আগে বেলা ৩ টার দিকে কোটা বিরোধী শিক্ষার্থীরা লিপুস ক্যান্টিনের সামনে জড়ো হতে থাকে। এরপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর দিকে এগিয়ে যায়। মিছিলে আন্দোলনকারীরা ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই' 'কোটা বৈষম্য নিপাত যাক মেধাবীরা মুক্তি পাক', ইত্যাদি স্লোগান দেয়। এসময় পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘ভুয়া ভুয়া’ ও পুলিশ দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবেনা' বলে স্লোগান দেয়।
ফরিদপুর অফিস থেকে মাহমুদুর রহমান(তুরান) জানিয়েছেন, ফরিদপুর শহরের সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের বক্ষ্মসমাজ সড়কে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের সমাবেশে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। এ সময় দুজন আহত হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হন।
গুরুতর আহত কাজী নিশাত গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র। তার মাথায় গুরুত্বর জখম রয়েছে। অন্য আহত শিক্ষার্থী ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ শিক্ষার্থী আবরার নাদিম ইতু।
আন্দোলনকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বক্ষ্মসমাজ সড়কে জড়ো হতে থাকে। শুরু হওয়া আন্দোলনের সময়ই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এসময় আন্দোলনকারী ছাত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও বেলা সাড়ে ১১ টায় তারা আবার সমবেত হন সেখানেই। এসময় আন্দোলনকারীরা ঘন্টাব্যাপী শহরের প্রধান মুজিব সড়কে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
এসময় তারা শান্তিপূর্ন সমাবেশে হামলার জন্য ছাত্রলীগের হামলাকারীদের তীব্র নিন্দা ও শাস্তিদাবী জানান। সেই সাথে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন আহত ছাত্রনেতা আবরার নাদিম ইতু। পরে তারা বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শহরের প্রধান সড়কে ধরে প্রেসক্লাবের সামনে দিয়ে মিছিল নিয়ে জনতার ব্যাংকের মোড়ে যায়। সেখান থেকে আবার তারা আন্দোলন স্থানে ফিরে আসেন। আন্দোলন চালিয়ে যান।
আহত গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কাজী নিশাত বলেন, আমি কোটা বিরোধী আন্দোলনে একাত্বতা পোষন করে ফরিদপুরের আন্দোলনকারীদের সাথে সকাল ১১ টায় সেখানে যোগ দেই। তার মিনিট দুয়েকের মধ্যেই ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা আমাদের উপর হামলা চালায়। পুলিশ সেখানে উপস্থিত থাকলে তাদের কোন ভূমিকা নিতে দেখা যায় নি।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ওসি হাসানুজ্জামান বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে একটি পক্ষের মধ্যে উত্তোজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে আমরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেই।
ইবি প্রতিনিধি নূর ই আলম জানান, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা এবং জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কালো রাত্রির প্রতিবাদে হাজারো শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে বিশাল জনসংযোগ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় একত্রিত হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে প্রায় হাজারখানেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা। মিছিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যূরালের সামনে জনসমাবেশ করেন তারা।
মিছিলে শিক্ষার্থীরা, আমার ভাই আহত কেনো? প্রশাসন জবাব চাই। আমার বোন আহত কেনো? প্রশাসন জবাব চাই। একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠো আরেকবার। ভুয়া প্রশাসন, ভুয়া ভুয়া। ভাইয়ের বুকে বুলেট কেনো? প্রশাসন জবাব চাই। দফা এক দাবি এক, কোটা নট কামব্যাক। জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে। লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে। আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম। মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই- ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, আপনারা যারা আছেন কালকে রাত্রে কারো ঘুম হইছে? ঘুম হয় নি। কেনো হয় নি? কারণ আজকে আমার ভাই-বোনদের উপর নৃশংস হামলার জন্য আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। মাত্র এক ঘন্টার নোটিশে আজকে আমরা হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়েছি। আমরা আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবো না। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর উপর হামলা হলে তার জবাব দেয়া হবে।
আরও বলেন, আজকে একটি পাবলিক পরীক্ষা থাকায় আমরা মহাসড়কে অবস্থান করে তাদের দুর্ভোগ সৃষ্টি করছি না। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের উপর কোনোরকম আঘাত আসলে আমরা বসে থাকবো না।
এসময় শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ফারহা তানজীম বলেন, আমি অবশ্যই তোমাদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি। আমি মনে করি যে আদিবাসি, প্রতিবন্ধীর মতো কিছু কিছু জায়গায় কোটা থাকা দরকার। এখানে হতে পারে যে নানা কারণে নানাজন সংশ্লিষ্ট আছে কিন্তু আমাদের মূলত যে দাবি বেকারত্বের সংকট ঘোচানো, ছাত্ররা এই ন্যায্য দাবীতে মাঠে রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করা হয়েছে তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক, আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানিয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্রতিবাদ সভায় বাধা দিয়েছে জেলা ছাত্রলীগ। এতে আন্দোলনকারীরা সংক্ষিপ্ত ভাবে তাদের কর্মসূচী পালন করে। মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারি ফাহিম মুনতাসির জানান, মঙ্গলবার দুপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কোটা সংস্কার ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে সভার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচীর শুরুতেই জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক শাহদাৎ হোসেন শোভনসহ ছাত্রলীগের কর্মীরা আমাদের সমাবেশ স্থলে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা আন্দোলনে জামাত-বিএনপির সম্পৃক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে কোনো বিশৃঙ্খলা হলে দায় দায়িত্ব আন্দোলনকারীদের নেয়ার কথা জানায়। এছাড়া ছাত্রলীগের কর্মীরা অনেকটা মারমূখী অবস্থানে থাকায় সমাবেশটি সংক্ষিপ্ত করা হয়। সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারি সানিউর রহমান, শাহালম পালোয়ান, আশিকুর রহমানসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহদাৎ হোসেন শোভন জানান, যৌক্তিক কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগ দেশের কোথাও বাধা দেয়নি। জামাত-বিএনপি এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে বিশৃঙ্খলা করতে চাচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে জনগনের জানমাল রক্ষায় যেকোন ধরেণের অপতৎপরতাকে ছাত্রলীগ দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে।
স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনে মোছাঃ নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জেলাপ্রশাসকদের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকগণ ...
স্টাফ রিপোর্টার: উর্দুভাষীদের জীবন মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন কাউন্সিল অফ মাইনোরিটিজ। সংগঠনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জীবনমান উন্নয়নে উর্দুভাষীদের ক্যাম্প জীবনের অবসান করে প ...
স্টাফ রিপোর্টার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আজ এক বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন এবং ভব ...
সব মন্তব্য
No Comments