বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ শতাংশ কর আদায়ের রায় বাতিল কর।

প্রকাশ : 01 Mar 2024
No Image

ডেস্ক রিপোর্ট: ২০০৭ এবং ২০১০ সালে এনবিআর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ হারে আয়কর নির্ধারণ করে। এই প্রস্তাবিত আয়কর বাতিলের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে , প্রজ্ঞাপন দুটিকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে প্রায় অর্ধশত রিট হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর আদায় বৈধ বলে সম্প্রতি রায় দিয়েছে – যা শিক্ষার অধিকার ও ছাত্র স্বার্থ বিরোধী।
এ বিষয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, “ এই রায় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি করবে। যাই বলা হোক না কেন, বাস্তবে শিক্ষার্থীদের ওপর খরচের বোঝা চাপিয়েই করের টাকা সমন্বয় করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নামে-বেনামে বিভিন্ন রকমের ফি নেয়, এটি সামনের দিনে আরও প্রকট হবে। এতে শিক্ষা ব্যয় আরও বাড়বে, অনেক শিক্ষার্থী পড়তে পারবে না।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো 'বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০' এর আওতাধীন। এই আইনে ট্রাস্টের অধীনে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দিনের পর দিন মুনাফা লাভের কারখানায় পরিনত হয়েছে । বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর লাভের লাগাম টেনে না ধরে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কর আদায়ের এই সিদ্ধান্ত সারাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনাসম্পন্ন- শিক্ষানুরাগী মানুষকে নিরাশ করেছে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব জনগণের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা। সরকার এই দায়িত্ব অস্বীকার করে, উচ্চ শিক্ষাকে ক্রমেই বানিজ্যিকীকরণ- বেসরকারীকরণ করছে। কর আদায়ের মধ্য দিয়ে এটি আরও তীব্র হবে।”
নেতৃবৃন্দ এই রায় প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সাথে শিক্ষার অধিকার বিরোধী এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংগঠিত ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।”

সম্পর্কিত খবর

;