৮ যুদ্ধাপরাধী মামলার রায়ঃ ৩ ফাঁসি, ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

26

যুগবার্তা ডেস্কঃ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামালপুরের তিন রাজাকারকে ফাঁসি ও পাঁচজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. আশরাফ হোসেন, মো. আব্দুল মান্নান ও মো. আব্দুল বারী। তারা সবাই পলাতক।
এছাড়া আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- অ্যাডভোকেট শামসুল হক, এস এম ইউসুফ আলী, মো. হারুন, মো. আবুল কাসেম ও অধ্যাপক শরীফ আহমেদ ওরফে শরীফ হোসেন। শেষের তিনজনও পলাতক রয়েছেন।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা পাঁচ অভিযোগের মধ্যে তিনটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রমাণিত ২ নম্বর অভিযোগে ৩ আসামিকে প্রাণদণ্ড দেয়া হয়েছে। ২৮৯ পৃষ্ঠার রায় ঘোষণাকালে এ মামলার আট আসামির মধ্যে কারাগারে আটক দুই আসামিকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় হাজির করা হয়। তারা হলেন- অ্যাডভোকেট শামসুল হক ও এস এম ইউসুফ আলী।
এর আগে রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। গত ১৯ জুন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। ওইদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী তামিম।
গত বছরের ২৬ অক্টোবর এই ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার আট আসামির মধ্যে পলাতক রয়েছেন ছয়জন। এরা হলেন- আলবদর বাহিনীর উদ্যোক্তা মো. আশরাফ হোসেন, অধ্যাপক শরীফ আহমেদ ওরফে শরীফ হোসেন, মো. আব্দুল মান্নান, মো. আব্দুল বারী, মো. হারুন ও মো. আবুল কাসেম।
গত বছরের ২৯ এপ্রিল এ আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল এ আট আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ৫টি ঘটনায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালীন হত্যা, গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন ও গুমের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়।