৭৪ চিকিৎসক শাস্তি পাচ্ছেন

যুগবার্তা ডেস্কঃ সরকারি হাসপাতালে কর্মরত আরও ৭৪ চিকিৎসক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বছরের পর বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রশিক্ষণের নামে বিদেশ গিয়ে আর ফেরেননি। কেউ প্রেষণে ছুটি নিয়ে, আবার কেউ কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। এসব চিকিৎসককে শাস্তির আওতায় আনতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের একটি তালিকাও তৈরি করছে। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসকের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির কারণেই স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) ডা. শাহ মো. ফয়সাল এসকান্দার চার বছরের বেশি সময় ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগ থেকে ২০১২ সালের ১৫ মে তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়। এর পর থেকেই তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত। চলতি বছরের ১ মে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। ৪ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওই চিকিৎসকের স্থায়ী ঠিকানায় শোকজ নোটিশ পাঠায়। তাতে ‘অসদাচরণ ও বিনা অনুমতি’তে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির দায়ে অভিযুক্ত করে কেন দণ্ড দেওয়া হবে না, তা জানতে ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি মন্ত্রণালয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
গত বুধবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ের বাসায় গিয়ে ডা. ফয়সালকে পাওয়া যায়নি। তিনি পরিবার নিয়ে ধানমণ্ডিতে বাস করেন। তার বাবা শাহ মো. এসকান্দার বলেন, ‘আমার ছেলে দেশ ছেড়ে যায়নি কিংবা জঙ্গিও হয়নি। সাভারের এনাম মেডিকেলে চাকরি করে। পাশাপাশি একটি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করে। তার স্ত্রীও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে চাকরি করে।’
পরে মোবাইল ফোনে ডা. শাহ ফয়সালের সঙ্গে কথা হয়। কর্মস্থলে অনুপস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম সরকারি চাকরি করব না। তাই বেসরকারি চাকরিতে যোগ দিই। পাশাপাশি অর্থো-সার্জারির ওপর এমএস ডিগ্রি নিয়েছি। মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। আগামীকাল মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ে গিয়ে কথা বলব।’ ডা. শাহ ফয়সাল ২১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগদান করেন।
সরকারি হাসপাতালে কর্মরত আরও ৭৪ চিকিৎসক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বছরের পর বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রশিক্ষণের নামে বিদেশ গিয়ে আর ফেরেননি। কেউ প্রেষণে ছুটি নিয়ে, আবার কেউ কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। এসব চিকিৎসককে শাস্তির আওতায় আনতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের একটি তালিকাও তৈরি করছে। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসকের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির কারণেই স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে।
কর্মস্থলে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা র্পৌছে দিতে সরকার নির্দেশিত দায়িত্ব পালন না করে যেসব চিকিৎসক অন্যায়ভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না।’
কর্মস্থলে অনুপস্থিত যেসব চিকিৎসক: মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী, ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ডা. ফেরদৌস আরা ইসলাম, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের ডা. নাসিরুল ইসলাম, দিনাজপুর মেডিকেলের ডা. উপল সীজার, কক্সবাজার মেডিকেলের ডা. অরূপ দত্ত, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেলের ডা. সাঈদ সাজ্জাদ হোসেন, শেরেবাংলা মেডিকেলের ডা. জাকির হোসেন, জিয়াউর রহমান মেডিকেলের ডা. শাহ হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রাম মেডিকেলের ডা. মুহাম্মদ মঈনুল হোসেন ও ডা. শৈবাল দাশ, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ডা. নাবাউন নূর নীপা, শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের ডা. নাহিদা কাইজার, নিটোরের ডা. শাখাওয়াত হোসেন খান, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ডা. আবদুল মান্নান সরকার, আবদুল মালেক উকিল মেডিকেলের ডা. অরূপ কান্তি দেওয়ানজি, মানসিক হাসপাতালের ডা. সোহেলা আহম্মদ, কুর্মিটোলা হাসপাতালের ডা. মুহাম্মদ শাহীনুর রহমান, ওসমানী মেডিকেলের ডা. চৌধুরী রায়হান পারভেজ, ঢাকা মেডিকেলের ডা. নাসরীন আখতার, ক্যান্সার হাসপাতালের ডা. সালামত আলী, রাজশাহী মেডিকেলের অধ্যাপক ডা. এআরএম সাইফুদ্দীন একরাম, ফরিদপুর আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. নুসরাত ফাতিমা, কুষ্টিয়ার খোকসার ডা. সাদিয়া জাহান, কেরানীগঞ্জ হযরতপুরের ডা. ছন্দা মজুমদার, সিরাজগঞ্জ কাজীপুরের ডা. আব্দুল্লা আল-আমিন. ফেনীর ধনিয়ার ডা. আবদুস সালাম হাওলাদার, রাজবাড়ী কালুখালীর ডা. সামিয়া খান, রাজশাহী মোহনপুরের ডা. আরেফা সুলতানা, চট্টগ্রাম ফটিকছড়ির ডা. সুমী দাশ, মৌলভীবাজার কুলাউড়ার ডা. আবু সালেহ মো. ফয়েজ উল্লাহ, রাঙামাটির ডা. নয়ন নাথ, কিশোরগঞ্জের ভৈরবের ডা. বেহনাজ মোবাশ্বেরা, কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ডা. সায়মা আফরোজ, কক্সবাজার পেকুয়ার ডা. পূর্ণবর্ধন বড়ুয়া, মানিকগঞ্জের সিংগাইরের ডা. মজুমদার এহসান ইবনে জিয়া, কিশোরগঞ্জ কুলিয়াচরের ডা. শায়লা আফরিন ক্যামি, কিশোরগঞ্জ অস্টগ্রামের ডা. হাবিবুল হাই মাসুদ, কুমিল্লার নবীনগরের ডা. সাবরীন ববি সুলতানা, কুষ্টিয়া চরসাদিপুরের ডা. আজফার উদ্দিন শেখ, নোয়াখালী হাতিয়ার ডা. জহিরুল আলম, ফেনী সোনাগাজীর ডা. উমা দত্ত গুপ্ত, মাদারীপুর কালকিনির ডা. অহিদুজ্জামান খান, টাঙ্গাইল ভূঁয়াপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. কৌশিক দাসগুপ্ত, মেহেরপুরের মোনাখালী ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. সাইফ হোসেন জোয়ার্দার, সুনামগঞ্জের সুখাইড়ের ডা. মোহাম্মদ মনোয়ারুল সাদিক, সিরাজগঞ্জের সোনামুখীর ডা. হালিমা আক্তার, মানিকগঞ্জের বাঘুটিয়ার ডা. তাহমিনা আক্তার, বরিশাল মেহেন্দীগঞ্জের চানপুরের ডা. নাজমুল হাসান, নাটোরের লালপুরের অর্জুনপুরের ডা. মৌসুমী সান্যাল এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া বুধলের ডা. নিশাত শারমীন অনুপস্থিত রয়েছেন।
এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি ডা. এসএম আসাদুজ্জামান, ডা. জিয়াউল করিম শামিম, ডা. মাছুমা সরকার ও ডা. হোসনে আরা নার্গিস, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ডা. ওয়াহিদুর রহমান ও আফসানা হাসনাত তানিয়া, নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালের ডা. মামুন অর রশিদ, মাগুরা সদর হাসপাতালের ডা. অরুন কান্তি ঘোষ, নোয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ডা. শামীম রেজা, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ডা. বোরহান উদ্দিন, যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ডা. রাশেদ রেজা, রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের ডা. জাকারিয়া তুহিন, কক্সবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালের ডা. সুখেন্দু শেখর সেন কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
জানা যায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তালিকায় থাকা এসব চিকিৎসক ছয় মাস থেকে শুরু করে সাড়ে চার বছর পর্যন্ত কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। মেডিকেল অফিসার থেকে শুরু করে তাদের মধ্যে অধ্যাপক পর্যন্ত রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে এতসংখ্যক চিকিৎসক কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা তা জানেন না। এমনকি স্থানীয় কর্তৃপক্ষও মন্ত্রণালয় কিংবা অধিদপ্তরকে বিষয়টি জানায়নি। সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত এসব চিকিৎসকের খোঁজ মিলেছে। তাদের জবাব চেয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে।
চিকিৎসকদের কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে না পারার ঘটনাকে সরকারের ব্যর্থতা বলে মনে করছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে তারা চিকিৎসকদের নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই মাহবুব বলেন, চিকিৎসক কর্মস্থলে উপস্থিত আছেন কি-না, কাজ করছেন কিনা- তা দেখার দায়িত্ব উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সবশেষে মন্ত্রণালয়ের। এসব স্তরের কর্মকর্তার চোখ ফাঁকি দিয়ে যখন কোনো চিকিৎসক বছরের পর বছর ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন ও সেই তথ্য সরকার জানে না, তাহলে বলতে হবে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অযোগ্য কিংবা ব্যর্থ।
বিএমএ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান বলেন, ‘সমস্যা থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। কিন্তু না জানিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের এসব বিষয় দেখভাল করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখা। ওই শাখার অতিরিক্ত সচিব বিমান কুমার সাহা বলেন, দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তা মন্ত্রণালয়কে জাননোর কথা। কিন্তু সেখান থেকেই জানাতে কিছুটা বিলম্ব করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
শাস্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিমান কুমার সাহা বলেন, প্রথমে কারণ জানতে চেয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসকের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। জবাব না দিলে আরও একবার নোটিশ করা হবে। ওই নোটিশের জবাব না দিলে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া একটানা পাঁচ বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে স্বাভাবিক নিয়মে তার চাকরির অবসান ঘটবে।
অসাধারণ চিকিৎসক, ছুটিও অসাধারণ: দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও ১০ চিকিৎসক অসাধারণ ছুটি পেয়েছেন। এই অসাধারণ ছুটি হলো; অনুপস্থিতকালীন ওই চিকিৎসক কোনো বেতন-ভাতা পাবেন না। কিন্তু চাকরিতে বহাল থাকবেন। অসাধারণ এই ছুটি পাওয়া চিকিৎসকরা হলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. নিলুফার জাহান, রাঙামাটির কুতুবছড়ি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. মোহাম্মদ ফোরকান, টাঙ্গাইল সখীপুরের ডা. সুলতানা মর্জিনা ও কালিহাতির ডা. রুমি আলম, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার ডা. হাবিবা শামীম সুলতানা, কক্সবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ডা. জয়নাল আবেদীন, নড়াইল সদর হাসপাতালের ডা. তারিকুল ইসলাম, টেকনাফের ডা. ইসমাইল আলম আজাদ, মানিকগঞ্জ চারিগ্রামের ডা. শামসুন্নাহার মীর এবং ফেনীর পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. আবু তাহের।
চিকিৎসকদের অসাধারণ ছুটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই মাহবুব। তিনি বলেন, বিষয়টি মোটেই স্বাভাবিক নয়। হয়তো অর্থ অথবা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দীর্ঘ মেয়াদে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও চিকিৎসক চাকরি ফিরে পাওয়ার সুবিধা নিচ্ছে। এ ধরনের দুর্বৃত্তপনা বন্ধ করতে হলে অসাধারণ ছুটি নয়, সরকারকে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ সুযোগ অন্যদের উৎসাহিত করবে।
অতিরিক্ত সচিব বিমান কুমার সাহা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। শুনানিতে অভিযুক্তদের পাশপাশি মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উপস্থিত থাকে। সেখানে ক্ষমতার দাপট বা অন্য কোনো সুবিধা নেওয়ার সুযোগ নেই।