৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট পেশ

32

যুগবার্তা ডেস্কঃ ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট পেশ।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে এ বাজেট উপস্থাপন করেন। একই সঙ্গে তিন চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটও পেশ করেন।
এর আগে সকাল ১০টায় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে অনুমোদন দেওয়া হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের ১৮তম বাজেট এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে ৪৬তম বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বাজেট পেশকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয়নেতা রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টি’র চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ, ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেননসহ মন্ত্রী পরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থায়নের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে বৈদেশিক অনুদান ১ দশমিক ৪ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ঋণ ১৫ দশমিক ১ শতাংশ। কর ব্যতীত আয়ের প্রত্যাশা ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। জাতীয় রাজস্ব বর্হিভূত কর ২ দশমিক ১ শতাংশ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর ৬২ শতাংশ। রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর এরমধ্যে মূল্য সংযোজন কর ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ, আমদানি শুল্ক ১২ দশমিক ১ শতাংশ, আয়কর ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ, সম্পূরক কর ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং অন্যান্য ১ দশমিক ৩ শতাংশ।

১৯৭২ সালে তাজউদ্দিন আহমেদ প্রথম ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেন। এই হিসেবে সাড়ে চার দশকে বাংলাদেশের সরকারি ব্যয়ের ফর্দ বাড়ছে ৫০০ গুণের বেশি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সামরিক থেকে গণতান্ত্রিক বিভিন্ন সরকারে ১৪ জন অর্থমন্ত্রী (অর্থ উপদেষ্টা অথবা সামরিক আইন প্রশাসক) ৪৫টি বাজেট উপস্থাপন করেছেন এর আগে। এবারের বাজেট নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তার ১১তম বাজেট উপস্থাপন করেন। টানা বাজেট উপস্থাপনে গত অর্থবছরেই রেকর্ড করেছেন অর্থমন্ত্রী। আওয়ামী লীগের গত মেয়াদের (২০০৯-২০১৪) পাঁচটি বাজেটের সঙ্গে এবারের তিনটি বাজেটের পর তিনি বৃহস্পতিবার টানা নবম বাজেট দিলেন।।
প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনা শেষে ২৯ জুন পাস হবে। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল তিন লাখ ৪০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা কমে তিন লাখ ১৭ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা।