হত্যায় দুই সেনা সদস্য জড়িত: তনুর মায়ের দাবিও

40

যুগবার্তা ডেস্কঃ কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যায় দুই সেনা সদস্য জড়িত বলে দাবি করেছেন তার মা ও বাবা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা সিআইডি কার্যালয়ে সপ্তম বারের মতো তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে আনলে কার্যালয়ে ঢোকার আগে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তারা।
মঙ্গলবার তনুর পরিবারের চার সদস্যসহ নয় জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি।
এ হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত বলে দাবি করে তনুর বাবা মো. ইয়ার হোসেন ও মা আনোয়ারা বেগম বলেন, কুমিল্লা সেনানিবাসের সার্জেন্ট জাহিদ ও সিপাহী জাহিদকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই তনু হত্যাকাণ্ডের সকল তথ্য বেরিয়ে আসবে।
“বার বার জিজ্ঞাসাবাদে আমরা ক্লান্ত ও ক্ষুব্ধ। যাদের বাসায় পড়াতে গিয়ে তনু খুন হল তাদের কাউকেই ওইভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না।”
তাদের বাসার শিশুদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেও অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেন তারা।
আনোয়ারা বেগম বলেন, “সেনাবাহিনীর স্টাডি ইউনিটের একটি অনুষ্ঠনে গান গাইতে তনুকে অনুরোধ করা হয়েছিল। গান না গেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে সিলেটে চলে যায় তনু। এ থেকেই ক্ষুব্ধ হয়ে তনুকে হত্যা করা হয়। এর বাইরে যদি আর কোনো রহস্য থাকে তাহলে তাও খুঁজে বের করা দরকার।
এ খুনে সার্জেন্ট জাহিদ, তার স্ত্রী এবং সিপাহী জাহিদ জড়িত বলে দাবি করেন তিনি।
সিআইডি ঢাকার সিনিয়র বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আকন্দের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। স্টাডি ইউনিটের অনুষ্ঠানে তনুর প্রত্যাখ্যানের পর গান গাওয়া কুমিল্লার শিল্পী শান্তা, তার বন্ধু খোকনসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এছাড়া তনুর সহপাঠী সেনানিবাস এলাকার বুধৈর গ্রামের মাহমুদুল বাশার, একই এলাকার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের এয়ার হোসেন শামীম, তনুর বাবা মো. ইয়ার হোসেন, মা আনোয়ারা বেগম, ভাই আনোয়ার হোসেন এবং চাচাত বোন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রী লাইজুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।