স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ হচ্ছে না

76

ঘোষণা দেয়া হলেও, স্বাধীনতা দিবসে প্রকাশ হচ্ছে না মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা। কারণ হিসেবে, আইনি বাধার কথা বলছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। তবে, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের আইনজীবীর অভিযোগ, এর পেছনে দায়ী মন্ত্রণালয়ের উদাসিনতা। আর একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি বলছে, আমলাদের অনাগ্রহেই হচ্ছে না প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা।
চোখে ছাপসা চশমা, বয়স সত্তর বছর। আতিকুর রহমান, লড়াই করে দেশ স্বাধীন করলেও এখন জীবন কাটছে অন্যের আশ্রয়ে। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার প্রমাণ থাকার পরও, মেলেনি স্বীকৃতি।
সরকার বদলের সাথে সাথে পাল্টায় মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা। সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন অযাচিত ব্যক্তিরা। এমন অভিযোগে ক্ষমতায় এসে ২০০৯ সালে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের ঘোষণা দেয় সরকার। শুরু হয় কাজ।
তবে ২০১৫ সালে এ কার্যক্রমে আসে আদালতের স্থগিতাদেশ। মুক্তিযোদ্ধাদের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে, তারপর তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেয় আদালত।
মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে দুইশোরও বেশি রিট বা মামলা আছে আদালতে। কিন্তু বছর পার হওয়ার পরও, এসব আইনি জটিলতা দূর না হওয়ার পেছনে মন্ত্রণালয়ের উদাসিনতাইকে দায়ী করছেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের আইনজীবী।
পাশাপাশি, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।