সুুন্দরবনকে জলদস্যুদের অভয়ারন্যে করতে দেয়া হবে না–স্বরাস্ট্র মন্ত্রী

73

মংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ আত্মসমর্পনকারী জলদস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে আইনী সহায়তা দেয়া হবে। অন্যান্য জলদস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চাইলে তার্দের সহযোগিতা করা হবে। সুন্দরবন অঞ্চলকে রিক্স ফ্রি করা হবে। সুন্দরবনকে জলদস্যুদের অভায়ারন্য করতে দেয়া হবে না। জলদস্যু দমনে র‌্যাব-কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী এবং বন বিভাগকে শক্তিশালী করা হবে। সুন্দরবনের দূর্ধর্ষ জলদস্যু মাষ্টার বাহিনীর ১০ সদস্য ৩১ মে মঙ্গলবার বিকেলে মংলা বন্দর ফুয়েল জেটিতে আত্ম সমর্পনকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এক সমাবেশে এ কথা বলেন। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাবের ৮ এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল ফরিদুল আলম, র‌্যাবের ৬ এর পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রমূখ। মাষ্টার বাহিনীর ১০ জন জলদস্যু আত্মসমর্পন কালে ১৮ টি বিদেশী একনালা বন্দুক, ৮ টি বিদেশী দোনলা বন্দুক, ৬টি ২২ বোর বিদেশী রাইফেল, ১টি থ্রী নট থ্রি বিদেশী রাইফেল, ৩টি ওয়ান শুটার গান, ৫টি রাইফেল বডি পার্টস, ২টি সিগনাল ফ্লেয়ার, ৫টি বিদেশী শটগান, ২টি বিদেশী এয়ারগান, ২টি বিদেশী সাটার গানসহ সর্বমোট ৫২টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র এবং সর্বমোট ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার রাউন্ড বিভিন্ন প্রকার গোলাবারুদ জমা দেয়। আত্ম সমর্পন করা মাষ্টার বাহিনীর ১০ জলদস্যু হচ্ছে বাহিনীর প্রধান মোস্তফা শেখ ওরফে কাদের মাষ্টার, সেকেন্ড ইন কমান্ড সোহাগ আকন, সুলতান খান, ফজলু শেখ, সোলায়মান শেখ, শাহীন শেখ এবং সুমন সর্দার, মোঃ হারুন, আরিফ সরদার ও মোঃ আসাদুল ইসলাম ওরফে কোকিল।। এদের সকলের বাড়ী বাগেরহাট জেলার রামপাল ও মোংলা, খুলনা জেলার দাকোপ-কয়রা, সাতক্ষীরা জেলার তালা ও আশাশুনি উপজেলায় অবস্থিত।