সুন্দরবনের করমজল প্লাবিত বন্যপ্রাণীর ক্ষতির আশংকা

মোংলা থেকে মো. নূর আলমঃ চার ফুট উচ্চতার জ্বলোচ্ছাসে প্লাবিত হয়েছে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র। চলতি পূর্নিমার ভরাকঠালে ও লঘুচাপের প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে তলিয়েছে গেছে বিশ্বখ্যাত ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনও। ১৪ আগস্ট রবিবার দুপুরের পর এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এদিকে অতিরিক্ত পানিতে বন্যপ্রাণীর সম্ভাব্য ক্ষতির আশংকা করছেন বনবিভাগ।

করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ কবির বলেন, রবিবার সুন্দরবনে সবচেয়ে বেশি পানি হয়েছে। এর আগে তিন ফুট উচ্চতার জ্বলোচ্ছাসে বন প্লাবিত হলেও রবিবার চার ফুট পানিতে তলিয়েছে বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রসহ পুরো বন। বনের অভ্যন্তরে স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় অনেক বেশি পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন বন্যপ্রাণী বনের বিভিন্ন জায়গার উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। করমজলের উঁচু জায়গায় এসে আশ্রয় নিয়েছে গহীন বনের হরিণ। তবে পানি বাড়ায় আবাসস্থল তলিয়ে হরিণ ও বন্য শুকরের ছোট ছোট বাচ্চার ক্ষতির আশংকা রয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত বনের কোথাও তেমন কোন প্রাণীর ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। মোংলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী পূর্বাঞ্চলকে বলেন, বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ায় দমকা হাওয়াসহ মোংলায় বৃষ্টি বেড়েছে। তিনি বলেন, ঘন্টায় ১৮ কিলোমিটার বাতাসের গতিবেগের সাথে রবিবার(১৪ আগষ্ট) সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এই বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে। এরপর বৃষ্টি ঝড়ে নিম্নচাপটি দূর্বল হবে বলেও জানান তিনি।