সাংবাদিক আলতাফ মাহমুদ চলে গেলেন

112

যুগবার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি আলতাফ মাহমুদ রোববার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৫ বছর।
রোববার বেলা সারে ১১ টায় ঢাকা রিপোটার্স ইউিনিটতে জানাযা শেষে তাকে জাতীয় প্রেসক্লাবে আনা হয়। বেলা ১২টায় প্রেসক্লাবে তার ২য় জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১৪ জানুয়ারি স্পাইনাল কডের সমস্যা, মাথার পেছনে ও ঘাড়ে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর ২১ জানুয়ারি সকালে তার স্পাইনাল কডের (মেরুদন্ডের হাড়) অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পরপরই আইসিইউতে নেওয়া হয় আলতাফ মাহমুদকে। পোস্ট অপারেটিভ জটিলতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তার ,মৃতুতে সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে।
আওয়ামী লীগ, ওয়ার্কার্স পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল( জাসদ), বাংলাদেশের সমাজতািন্ত্রক দল ( বাসদ), গনতন্ত্রী পার্টি,সাম্যবাদী দলসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক দল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সত্তর দশকে সাংবাদিকতা পেশায় আসা আলতাফ মাহমুদ দীর্ঘদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের বড় বড় সমাবেশের সংবাদ সংগ্রহ করেছেন।প্রতিনিয়ত বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোতেও তাকে দেখা গেছে রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের জন্ম ইতিহাস, চট্টগ্রামের লালদিঘী মাঠের জনসভায় শেখ হাসিনার ওপর গুলিবর্ষণসহ অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী আলতাফ মাহমুদ “১৯৭৫ সালে যখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাপতে গণমাধ্যম ভয় পেত, তখন আমি বঙ্গবন্ধুর ছবি বুকে নিয়ে সাহস করে সাপ্তাহিক খবরে প্রকাশ করেছিলেন।’’
তিনি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নে জন্ম গ্রহণ করেন। মৃতু্কালে স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলে রেখে গেছেন। সংস্কৃতিক অঙ্গনেও তার সাবলিল বিচরণ ছিলো। তিনি একটি চল্বত্রেও অভিনয় করেছিলেন।