সাঁওতাল বিদ্রোহ ও শর্ষের ভিতরের ভুতের মুখোশ উন্মোচন!

সরকার পল্লবঃ আমাদের প্রাণের গোবিন্দগঞ্জে কারা শান্তি প্রিয় সাঁওতাল আদিবাসী ও সরকারের প্রশাসন কে মুখোমুখি দ্বার করিয়েছে?
সাঁওতাল আদিবাসীরা যে সাহেবগঞ্জ-বাগদা ইক্ষু ফার্ম ভুমি উদ্ধার আন্দোলন করছে তা সম্পুর্ন বেআইনী?? যদি বেআইনী হয় তবে কেন গোবিন্দগঞ্জের স্থানীয় নাগরিক সমাজ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের কোন নেতা কর্মি এর বিরুদ্ধে জোড়ালো কথা বলছেন না অথবা এই নির্যাতন, অগ্নি সংযোগ, লুটপাটের ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছেন না??? এমনকি সাংবাদিক সমাজও কেন তাদের দ্বায় সারা নিউজ করে মুখে কুলুপ এটে আছে???? সকলের উচিত সাঁওতাল দের বিদ্রোহের তীব্র প্রতিবাদ জানানো! সেই সংগে যে ঘটনা ঘটেছে তারও প্রতিবাদ করা উচিত, দুটোর একটাও না করার জন্য সারাদেশে এ ঘটনাকে ছড়ানো হচ্ছে যে গোবিন্দগঞ্জের স্থানীয় মানুষ আদিবাসী পল্লীতে হামলা করে তাদের জায়গা জমি, বসত ভিটা দখল করছে, অগ্নি সংযোগ, গরু ছাগল লুটপাট এমনকি সাঁওতাল নারীদের নির্যাতন করছে এবং তা স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতেই হচ্ছে!!!
এসব ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন ও স্থানীয় উস্কানীদাতা, বহিরাগত আদিবাসী বাঙালী উস্কানীদাতাসহ দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় এনে স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদরা যদি এর সমাধান অতিদ্রুত না করেন তবে এইসব অপরাধীরা গোবিন্দগঞ্জের সাওতাল বাঙালীর সম্প্রীতি নষ্ট করে শান্তির গোবিন্দগঞ্জ কে, সারাদেশে বিতর্কিত করে, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির যে পায়তারা করছে তা আমাদের গোবিন্দগঞ্জ কে এক ভয়ানক পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে!-লেখকঃ সরকার পল্লব, তরুন রাজনৈতিক কর্মী