সরকার পর্যটন শিল্পের বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছে–বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী

যুগবার্তা ডেস্কঃ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল এমপি বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র দূরীকরণে পর্যটন শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই বর্তমান সরকার পর্যটন শিল্পের বিকাশের প্রতি গুরুত্বরোপ করেছে। জাতীয় শিল্পনীতি-২০১০ এ পর্যটন শিল্পকে অগ্রাধিকার মূলক খাত হিসেবে চিহ্নিতকরণ, জাতীয় পর্যটন নীতিমালা-২০১০ প্রণয়ন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রতিষ্ঠা, পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ, প্রতœতাত্ত্বিক নির্দশনগুলোর উন্নয়ন, সড়ক, রেল ও বিমান পরিবহন ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ, মেরিন ড্রাইভের সম্প্রসারণ এবং কক্সবাজারের টেকনাফে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি আজ সকালে বাংলাদেশ টু্যূরিজম বোর্ডের (বিটিবি) সম্মেলন কক্ষে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে আয়োাজিত প্রেস কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিটিবির সিইও জাহাঙ্গীর হোসেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি জীবন হয়েছে পুর্বের তুলনায় সহজতর ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে। ভ্রমণ সংশ্লিষ্ট সকল সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে পর্যটকরা অতি সহজেই তাদের ভ্রমণের গন্তব্য নির্বাচন করতে পারছে। বিমান টিকেট বুকিং, রেলের টিকেট বুকিং, হোটেল বুকিং, মিউজিয়ামের টিকেট ক্রয়সহ ভ্রমণ সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবাসমূহ পর্যটকরা এখন অতিদ্রুত ও সহজেই গ্রহণ করতে পারছে। এটি সম্ভব হচ্ছে শুধুমাত্র তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে।
প্রসঙ্গত; এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য Tourism and the Digital Transformation অর্থাৎ ’পর্যটন শিল্পের বিকাশে তথ্যপ্রযুক্তি’।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দিবসটি উদযাপনে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং পর্যটন সংগঠনগুলো র‌্যালি, ক্রোড়পত্র প্রকাশ, মেলা, সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।