সবার চোখ নারায়ণগঞ্জ

যুগবার্তা ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রধান রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলেও নৌকা আর ধানেরশীষ প্রতীকের কারণে এই নির্বাচন এখন টক অব দ্যা কান্ট্রিতে রূপ নিয়েছে।
বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে বলা যায় শেষ নির্বাচনটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদের নির্বাচন থাকলেও উত্তাপ ছড়াচ্ছে কেবল নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন।
২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটির প্রথম নির্বাচনও ব্যাপক আলোচিত ছিল। বর্তমান এমপি শামীম ওসমান তখন মেয়র প্রার্থী ছিলেন। আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছিলেন তিনি। স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াতৎ আইভী বিশাল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিএনপির প্রার্থী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খোন্দকার। নির্বাচনের আগের রাতে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।
শামীম ওসমান এবার নির্বাচনে প্রার্থী না থাকলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধ আলোচনায় রয়েছেন তিনি। বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও নৌকা জয়ী করতে মাঠে নেমেছেন।
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ। বিএনপির সঙ্গে এরই মধ্য বৈঠক করেছেন রাষ্ট্রপতি। নির্বাচন কমিশন গঠনে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপি। আগামী নির্বাচনে তারা অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তাদের এখন মূল দাবি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন। ফলে নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন নানা কারনেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাসীন সরকারের জনপ্রিয়তা, বিএনপির জনসমর্থন, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রমাণের নির্বাচন হতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন।-আমাদের সময়.কম