সবদলের ঐক্যে মতের ভিত্তিতে ইসি গঠন করতে হবে-খালেদা

যুগবার্তা ডেস্কঃ বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার বিকালে গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিনের বলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব দাবি জানান।
খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরি¯ি’তিতে সৎ, সাহসী, অবাধ ও সুষ্ঠু স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের বিকল্প নেই। এ ছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনের যোগ্যতার কথাও বর্ণনা করেন তিনি।
একজন নারীসহ চারজন কমিশনার নিয়োগের প্রস্তাব করেন খালেদা জিয়া। এ ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য নির্বাচন কমিশনারদের হতে হবে সর্বজন শ্রদ্ধেয়, সৎ, কর্ম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ও দল নিরপেক্ষ। বাছাই কমিটির কাছে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দল অথবা স্বাধীনতার পর থেকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো দুজন করে নাম প্রস্তাব করতে পারবে। সেখান থেকে বাছাই কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। তবে চূড়ান্ত মনোনয়নের পর কেউ যদি দায়িত্ব পালন করতে অসম্মতি প্রকাশ করেন, তবে একই প্রক্রিয়ায় আবারও বাছাই করতে হবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার দাবি জানান খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, আঠারো বছর বয়সী সব নাগরিককে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সেই সঙ্গে প্রবাসীদেরও এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেন তিনি।
নির্বাচনকালীন প্রশাসন যাতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ভোট কেন্দ্রে ছবিসহ ভোটার তালিকা সরবরাহ করতে হবে। যাতে কেউ জাল ভোট দিতে না পারে। যাদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে তারা যেন কোনো বাধা ছাড়াই ভোট দিতে পারে সে ব্যব¯’া করতে হবে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে প্রার্থীর নিযুক্ত এজেন্টকে রেখে অবাধে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভোট গণনা শুরু করতে হবে। কোনো ধরনের বিরতি ছাড়াই ভোট গ্রহণ চলবে। নির্বাচনে দল নিরপেক্ষ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষক রাখতে হবে।
নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ছাড়া এসব বামবদবায়ন সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন খালেদা জিয়া।
এ ছাড়া নির্বাচনকালীন একটি সহায়ক সরকার গঠন করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত প্রস্তাব তুলে ধরা হবে।