কল্যাণ কুমার চন্দ,বরিশাল থেকেঃ
বরিশালের বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী ঐশি প্লাস নামের ট্রলারটি উদ্ধারের পর আরো ৮ জনের ভাসমান লাশ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ৫ জন ও শুক্রবার সকালে অরো ৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। গতকাল সকালে তাদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আরো ১৮ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে এ ট্রলার দূর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো প্রশাসনের তালিকা অনুয়ায়ী ২ জন নিখোজ রয়েছে। এরা হলো, বানারীপাড়ার মহিশাকাঠী গ্রাামের মো : আব্দুল হাইর পূত্র মাইনুল ইসলাম রাজু (২৩) ও বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠী গ্রাামের মৃত: হামিদ হাওলাদারের পূত্র জাকির হাওলাদার (৪০)। এদিকে কোন প্রকার অনুমতি ও রুটপার্মিট ছাড়া ট্রলারকে লঞ্চের আদলে গড়ে তুলে যাত্রি বহনের অভিযোগে ঐশি প্লাস ট্রলারের মালিক বানারীপাড়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইউসুফ আলী হাওলাদার ও লঞ্চের চালক উজিরপুরের বাসিন্দা নয়নের বিরুদ্ধে মেরিন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বানারীপাড়া থানার এসআই মোঃ জসিদ বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। উল্লেখ্য গত বুধবার দুপুরে বানারীপাড়া থেকে উজিরপুরের হাবিবপুরগামী ঐশী-প্লাস নামের ট্রলারটি ভাঙনের কবলে পরে সন্ধ্যা নদীর মসজিদ বাড়ির দাসের হাট এলাকায় ডুবে যায়। ওই দিন দুপুরের পর থেকেই বানারীপাড়া থানার পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ, কোষ্টগার্ড, বিআইডব্লিউটিএ এবং জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে এটি ডাঙ্গায় তুলতে ব্যার্থ হয়। বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভিকের মাধ্যমে ডুবে যাওয়ার ২১ ঘন্টা পর ৪ শিশুর লাশসহ ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়।