শেরে বাংলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষাকে মাতৃভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেছে

108

যুগবার্তা ডেস্কঃ উপমহাদেশের সেরা রাজনীতিবিদ বৃহত্তর বাংলার প্রধান মন্ত্রী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, শ্রমিক কৃষক, মেহনতী মানুষের মুক্তির ও বাঙালীদের শিক্ষার অগ্রদূত মহান নেতা শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক এর ১৪২তম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষে জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ ও জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি যৌথ্যভাবে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক ছাত্র নেতা ও জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সচিব বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান পিএসপির সদস্য ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীন আহমেদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ন্যাপ ভাসানীর নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মাষ্টার, বিশ্ব বাঙালী সম্মেলনের সভাপতি কবি মুহাম্মদ আব্দুল খালেক, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান মোসতাক আহমেদ ভাসানী, বরিশাল বিভাগ আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি এডভোকেট মাহাবুব আলম দুলাল, নদী সংস্কার পানি শাসন সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি শাহদাত হোসেন হামজা, অনলাইন একটিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবির চৌধুরী তন্ময়, মিরপুর থানা আওয়ামীলীগ নেতা আ.স.ম মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের অন্যতম নেতা আনিসুর রহমান খোকন, জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সহসভাপতি মোঃ সাইদুল গণি, নারী নেত্রী মির্জা সেলি প্রমুখ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম.এ জলিল, স্বাধীনতা পার্টির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু, গণতান্ত্রিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সমীর রঞ্জন দাস।
প্রধান অতিথির বক্তেব্য সিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের পুরুষ এবং রাজনৈতিক গুরু পথ প্রদর্শক শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক একমাত্র শেরে বাংলাই বাঙালীদের জাগরণ সৃষ্টি করেছেন, শিক্ষা দিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষকরাই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন করেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশের আদর্শ হলো অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত উন্নত পরিবেশের দেশ গড়া কিন্তু জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়া গংরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নকে ধুলিসাত করে দিয়ে পাকিস্তানের ভাবধারার দেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা স্বাধীন বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ সাম্প্রদায়িকতা ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত উন্নত পরিবেশের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন। কিন্তু ইহা মেনে নিতে পারে নাই বর্তমানে ২০দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তিনি বাংলাদেশকে পাকিস্তানী আদর্শের দেশ বানাতে চায়। ইহা বাঙালিরা মেনে নিবে না। তাই বাঙালীরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং সকল ষড়যন্ত্র চক্রান্তকে নিশ্চিহ্ন করে আইনের শাসনের ৭১, ৭৫, ২০০৪ ও ২০০৫ সালের ঘাতকদের বিচারের মাধ্যমে উৎখাত করে দেশ পরিচালনা হবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির মাধ্যমে। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধের সবাইকে একত্রিত করে দেশ শাসন করি।
সভাপতির ভাসণে মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস বলেন, আজকে আমাদেরকে এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবী জানাতে চাই যে, তিনি জাতীয় ৪নেতা বঙ্গবন্ধু, শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা ভাসানীর নামে একটি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশের ইতিহাস ঘরে ঘরে পৌচ্ছে দিতে। যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা হবে একটি আদর্শের দেশ এবং উৎখাত হবে বিজাতীয় চেতনার শক্তিসমূহ।