শিল্পকলায় ‘জাতীয় যন্ত্রসংগীত উৎসব’ সমাপনী

স্টাফ রিপোটার: বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে সৃষ্ট ও পরিবেশিত সংগীতই যন্ত্রসংগীত। কন্ঠসংগীতের সাথে অনুষঙ্গ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হলেও শুধু যন্ত্রসংগীত পরিবেশনের দর্শক চাহিদাও কম নয়। বীনা, সেতার, সরোদ, তবলা, সানাই, তাঁর সানাই, গীটার, এসরাজ, বাঁশি, সারেঙ্গী, একতারা, দোতারা, বেহালা ইত্যাদির একক বাদন এবং বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রসংগীতের যুগলবন্দি বা সমবেত বাদন আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয়। যন্ত্রসংগীতের সুক্ষ ও চর্চিত প্রয়োগ দর্শক শ্রোতাকে উচ্চস্তরের রসাস্বদনের সুযোগ করে দেয়। বাংলাদেশে যন্ত্রসংগীত চর্চার গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। এই গৌরবময় ইতিহাসকে সমুজ্জ্বল রাখতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিবছর যন্ত্রসংগীত উৎসব আয়োজন করে থাকে।

২৯ জুন ছিল ‘জাতীয় যন্ত্রসংগীত উৎসব ‘সমাপনী দিন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় আয়োজিত উৎসব জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে বিকালে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় যন্ত্রসংগীত উৎসবে বাংলাদেশের বিশিষ্ট ও স্বনামধন্য যন্ত্রসংগীত শিল্পীদের পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক জনাব কাজী আফতাব উদ্দীন হাবলু। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজন করা হয়েছে।

একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর ভার্চুয়ালি সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমির সচিব মো, আছাদুজ্জামান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সুরকার শেখ সাদী খান। অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের তালিকায় ছিলেন নাসির উদ্দিন, রাহিন, সুনীল চন্দ্র দাস, মোঃ হাসান, এবাদুল হক সৈকত, শুক্লা হালদার, সৌমিত দেবনাথ রিক, মোঃ ইউসুফ খান, মর্তুজা কবির মুরাদ, শাহনাজ জামান, গাজী আব্দুল হাকিম, সালেহ আহমেদ সামি, ফিরোজ খান, আলাউদ্দিন মিয়া, সত্যজিত চক্রবর্তী, মোঃ মানিক, রুপতনু শর্মা, মনোয়ার হোসেন, বিনোদ রায় এবং মর্তুজা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন দিলরুবা সাথী।