রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবন ও পরিবেশের কোন ক্ষতি করবে না-খালেক

মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্পের ডিজাইনে অত্যাধুনিক সিস্টেম রাখা হয়েছে যার ফলে সুন্দরবন এবং পরিবেশের কোন ক্ষতি হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনের ক্ষতি হতে পারে এমন কোন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারে না। বেগম খালেদা জিয়া উন্নয়ন কার্য্যক্রম ব্যাহত করতে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরোধিতা করেও সফল হতে পারেননি। বৃহস্পতিবার সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে রামপাল ১৩২০ মেগ্ওায়াট মৈত্রী সুপার তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পের কয়লা পরিবহন কার্য্যক্রমের পরিবেশগত ও আর্থ-সামাজিক সমীক্ষালব্ধ প্রভাব সম্পর্কিত অবহিতকরন সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তালুকদার আব্দুল খালেক এ কথা বলেন।
সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল এন্ড জ্ওিগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস ( সিইজিআইএস ) এর আয়োজনে বাংলাদেশ-ভারত মেত্রী প্ওায়ার কোম্পানী প্রাঃ লিঃ এর ব্যবস্থাপনায় অবহিতকরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের মেম্বর অর্থ মোঃ গোলাম মোস্তফা। অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন মোংলা উপজেলা নির্বাহি ( অফিসার অতিরিক্ত দায়িত্ব ) রাজিব কুমার রায়, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উজ্জ্বল কান্তি ভট্টাচার্য্য, সিজিআইএস-র উপ-নির্বাহি পরিচালক মালিক ফিদা আব্দুল্লাহ খান এবং পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মোঃ মোক্তারুজ্জামান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন মোংলা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হ্ওালাদার, রামপাল উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল জলিল, সাবেক মোংলা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নূও আলম শেখ, রামপাল প্রেসক্লাব সভাপতি হ্ওালাদার আঃ হাদী, সাংবাদিক সুমেল শারাফাত, কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ । অবহিতকরন সভায় সিজিআইএস’র সমীক্ষা প্রতিবেদনে কয়লা পরিবহনের জন্য পশুর নদীকে রুট হিসেবে ব্যবহার করার সুপারিশ করা হয়। সমীক্ষায় বলা হয় লোড-আনলোড ও পরিবহনের সময় কয়লা নদীতে পড়ে জীব-বৈচিত্র’র জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। এ জন্য এ সকল হুমকি নিরসনে পরিবেশ বান্ধব পরিবহনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সমীক্ষায় সুন্দরবনের হুমকি নিরসনে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পূর্ব নির্ধারিত তিনটি নোঙ্গর এবং দুটি স্থান ট্রান্সশিপমেন্ট-এ ব্যবহারের জন্য প্রধান্য দেয়ার কথা বলা হয়েছে।