মোংলা বন্দরে নৌযান কর্ম বিরতিতে পদ্মা সেতুর পন্য খালাস বন্ধ

মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ সারা দেশের ন্যায় বেতন বৃদ্ধিসহ ১৫ দফা দাবিতে নৌযান শ্রমিকদের কর্ম বিরতির ২য় দিনে গতকাল ২৪ আগস্ট বুধর্বাও লাইটারেজের অভাবে বন্দরে অবস্থানরত ৯টি জাহাজে আমদানী পন্য খালাস বন্ধ ছিলো। পদ্মা সেতুর নির্মান কাজের জন্য আনা পাথর এবং মেশিনারীজ জাহাজেও পন্য খালাস বন্ধ রয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায় বন্দরের বহির্নোঙ্গরে ৯টি জাহাজ পন্য খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। পদ্মা সেতু নির্মানের পাথর এবং মেশিনারীজ ছাড়াও সার, গম, কয়লা এবং ক্লিংকার আমদানী পন্য খালাস না করতে পারায় প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া লাগছে আমদানীকারক, শিপিং এজেন্ট এবং ষ্টিভেডর কোম্পানীদের। বন্দর কর্তৃপক্ষ’র চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন পন্য খালাস না হ্ওয়ায় বন্দরের কোন ক্ষতি না হল্ওে আমদানীকারকরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত পন্য খালাস না করার ফলে উন্নয়ন কাজ যেমনটি ব্যহত হচ্ছে তেমনি ডলারে জরিমানা পরিশোধ করার ফলে দেশের অর্থনীর্তিও ক্ষতি হচ্ছে। নৌযান শ্রমিকরা বলছেন দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্ব গতিতে বর্তমান যে বেতন পাই তাতে সংসার চলেনা। বেতন না বাড়ানো পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তবে আমদানীকারক-ব্যবসায়ী-বন্দর ব্যবহারীকারীরা মনে করছেন সরকার-শ্রমিক-মালিক দ্রুত আলোচনায় বসে সমস্যার সমাধান করবেন।কার্গো মাষ্টার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বর্তমান যে বেতন পাই তাতে সংসার চলেনা। বেতন বাড়ানোর অনুরোধ করি। বেতনা না বাড়ানো পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। কার্গো সুকানী মোঃ জসিম উদ্দিন দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির ফলে যা পাই তাতে সংসার চলে না। বেতন ভাতা বৃৃদ্ধিসহ ১৫ দফা দাবী না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এডমিরাল রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আরো বলেন আশা প্রকাশ করছি নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দ্রুতই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।