মেনন হত্যাচেষ্টার দ্রুত বিচার কর…..ওয়ার্কার্স পার্টি

যুগবার্তা ডেস্কঃ রাশেদ খান মেনন হত্যাচেষ্টার বিচার দ্রুত করার দাবী জানিয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টি। ১৯৯২ সালের ১৭ আগস্ট পার্টি অফিসের সামনে সন্ত্রাসীরা তাঁকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছিল। মানুষের ভালবাসায় তিনি প্রাণে বেঁচে গিয়ে আজও মানুষের মুক্তির সংগ্রামে নিবেদিত রয়েছেন। আজ ২৪ বছর পার হলেও মেনন হত্যা চেষ্টার বিচার হয়নি। এই আগস্ট মাসেই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারকে হত্যা করা হয়েছে, ১৭ আগষ্টে একসাথে ৬৩ জেলায় বোমাবাজি করেছে এবং ২১ শে আগস্টে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা করেছে।
আজ ১৭ আগস্ট ‘সন্ত্রাস বিরোধী দিবস’ পালন উপলক্ষে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে পার্টির নেতবৃন্দ এ আহ্বান জানান। মহানগর পার্টির সভাপতি কমরেড আবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড নূর আহমদ বকুল, কমরেড কামরূল আহসান, কমরেড মোস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি, নগর নেতা কিশোর রায়, জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, মুর্শিদা আখতার, কামরুল হাসান নাসিম, মোতাসিম বিল্লাহ সানী, ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।
সমাবেশে পার্টি নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপির শাসনামলে কমরেড রাশেদ খান মেননকে হত্যার উদ্দেশ্যেই গুলি করেছিল। মেননকে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেয়া। কারন মেনন জন্মাব্দি বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার রাজনীতি করেছেন। তিনি ৬২’র ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলন, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন সর্বোপরি চলমান সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা পালন করে চলেছেন। এজন্যই সন্ত্রাস গোষ্ঠী মেননকে হত্যাচেষ্টা করেছিল।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সন্ত্রাসী জঙ্গীবাদীরা রাশেদ খান মেননকে বারবার আঘাত করার চেষ্টা করেছেন কিš‘ মানুষের অকৃত্তিম ভালবাসায় তিনি এখনও বেঁচে আছেন এবং জনগণের মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। রাশেদ খান মেনন এদেশের বাম প্রগতিশীল আন্দোলনের একজন অকুতভয় সৈনিক। তিনি চলমান জঙ্গীবাদ বিরোধী আন্দোলনে যে ভূমিকা পালন করছেন তা দেশে বিদেশে সমাদৃত হচ্ছে। তিনি একটি উন্নত সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নেতৃবৃন্দ তার দীর্ঘ জীবন কামনা করেন।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পার্টির কার্যালয়ের সামনে শেষ হয়।