মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের কটাক্ষ করার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে আইনের আওতায় আনার দাবি

91

যুগবার্তা ডেস্কঃ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৯মাসের যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীদের পরাজিত করে ১৯৭১সালে ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ হিসেবে বিজয় অর্জন করে। এই বিজয় দিবস পালন উপলক্ষে জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ বৃহঃবার বিকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ১নং হল র“মে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভপতি এম.এ জলিল।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আবদুল বাসেদ মজুমদার।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনএফ এর চেয়ারম্যান জনাব আবুল কালাম আজাদ এম.পি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভূইয়া, সুপ্রিম কোর্ট বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি ড. বসির আহমেদ, দেশীয় সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি এডভোকেট গৌরাঙ্গ চন্দ্রকর, বাংলাদেশের সহকারী এটর্নী জেনারেল এডভোকেট জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ আইন সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট মোঃ আব্দুন নূর দুলাল, বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সাবেক সহ-সভাপতি খন্দকার তারেক রায়হান, অন-লাইন একটিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবির চৌধুরী তন্ময়, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু, আওয়ামীলীগ নেতা আ.স.ম মোস্তফা কামাল, সমবায় লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফার“ক হোসেন মোল্লা, জাতীয় গণতান্ত্রি লীগের সাধারণ সম্পাদক সমির রঞ্জন দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরজিনা আক্তার খুকি ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা ইয়াসমিন মনি প্রমুখ।
প্রধান অতিথির ভাষনে আবদুল বাসেত খান মজুমদার বলেন আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় অর্জিত হয়েছিল। এই বিজয়কে পরাভূত করেছে স্বাধীনতা বিরোধী দোষর ঘাতক দালাল পক্ষ অবলম্বনকারী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া। আর বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্ব দিয়ে সেই বিজয়কে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌ”েছ দিয়েছেন। তার প্রমাণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমুদ্র সীমানার বিজয় হয়েছে বাংলাদেশের যে সব সীমান্ত নিয়ে বন্ধুপতিম দেশের সাথে অনেক দিন থেকে বিরোধ ছিল তা মিটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ৭১’এর ঘাতকদের বিচার হয়েছে এবং দেশ হয়েছে পাপমুক্ত। এখন আমাদেরকে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে যে কটাক্ষ করেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া তাকেও আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। আসুন আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আকাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়ি।
সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, ৭১সনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধ করেছি, জয় বাংলা শ্লোগান দিয়েছি কিš‘ আজ যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং জয় বাংলা নিয়ে কটাক্ষ করে তাদের বির“দ্ধে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত উন্নত পরিবেশের আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে হবে।
আজিজুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা বলতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ঘৃণা হয় কারণ যেই শাহ আজিজ ১৯৭১ সালে জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধারা ভারতের অনুচর এবং জারস সন্তান সেই শাহ আজিজকে জিয়াউর রহমান প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন এই কারণেই আমরা জিয়াকে ঘৃণা করি।
সভাপতির ভাষণে এম.এ. জলিল বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে সেই জাতিকে সাহায্য সহযোগীতা ১কোটি স্মরণার্থীদের থাকার জায়গা এবং খাওয়াছেন। মুক্তিযুদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন অস্ত্র দিয়েছেন মিত্র বাহিনী হিসেবে। মুক্তিযুদ্ধাদের সাথে যুদ্ধ করে বাঙলাদেশের জয় ছিনিয়ে এনেছেন মহান গণতান্ত্রিক ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি মিসেস ইন্দ্রিরা গান্ধী। তার কাছে বাঙালি জাতি চিরকৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞ জাতি মিসেস ইন্দ্রিরা গান্ধীকে স্মরণ করার জন্য এবং বাঙালি জাতির কাছে স্মরণীয় রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের কাছে সভার পক্ষ থেকে দাবী জানান যে, ফারম গেটের ইন্দ্রিরা সড়ককে ‘‘ইন্দ্রিার গান্ধী’’ সড়কে নাম করন করা হোক।