মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার্থীরা এখনো নকল করে: শিক্ষামন্ত্রী

51

যুগবার্তা ডেস্কঃ এসএসসি ও এইচএসসিতে নকল করাটা বন্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু সমস্যা হলো আগের ধারাবাহিকতায় এখনো মাদ্রাসা ও কারিগরি লেভেলে এ প্রবণতা রয়ে গেছে। এখনো তারা নকল করে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
শুক্রবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত ‘আসন্ন ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা পরিচালনা বিষয়ে কেন্দ্র সচিবদের করণীয়’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘অনেকের মধ্যেই এ ধারণা আছে, মাদ্রাসা ও কারিগরিতে নকল করা যায়। কিন্তু এখন আগের মতো আর সুযোগ নেই, নকল করতে গেলেই ধরা পড়ে যায়। প্রতিবছর যে এক্সপেল হয় তার বড় কারণ নকল। নকল করতে গেলে জীবন ধ্বংস হয়ে যাবে।’এ ধরনের অসৎ কার্যক্রম বন্ধে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষ সভ্য হয়ে গেছে কিন্তু আদিম কিছু প্রবৃত্তি এখনো ছাড়তে পারেনি। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্র নেওয়া ও খোলা, পরীক্ষা গ্রহণসহ সকল স্তরে সতর্কতার সাথে সকল নির্দেশনা মানতে হবে। ব্যত্যয় ঘটলে শাস্তি।’
কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাই বেকারত্ব দূর করার অন্যতম পথ। সাধারণ উচ্চশিক্ষা নিয়ে বছরের পর বছর বেকার থাকার চেয়ে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা গ্রহণ করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা উত্তম।’
দেশের সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসমূহে আগামী ১৬ থেকে ২৫ জুন ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় দেশের সরকারি-বেসরকারি ৪৫৬টি প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯১৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন, অতিরিক্ত সচিব ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত সচিব ড. অরুনা বিশ্বাস, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।