মংলা বন্দরের উন্নয়নে শেখ হাসিনার সরকার যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে-খালেক এমপি

111

মংলা অফিসঃ মংলা বন্দরের উন্নয়নে শেখ হাসিনার সরকার যুগাšতকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার ফলে বন্দরে কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বন্দর এখন লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে মংলা বন্দরকে বছরে এক হাজার জাহাজ হ্যান্ডলিং করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। ১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ভবন চত্বরে বন্দরের ৬৫ তম প্রতিষ্ঠা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি এ কথা বলেন।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় বন্দরের প্রতিষ্ঠা দিবসের উদ্বোধনী ্ও কেককাটা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র মোঃ আনিসুর রহমান বিশ্বাষ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ব্রিগেডার জেনারেল সামছুল আলম খান ্ও কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের কমান্ডার মেহেদী মাসুদ। সভাপতির বক্তব্যে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বলেন ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মংলা বন্দর ৬০ কোটি ১২ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা লাভ করেছে।বন্দরে বর্তমান ২৯% কাজ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের ঐকাšিতক প্রচেষ্টায় বন্দরের দিন দিন অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে। বক্তব্যের আগে প্রতিষ্ঠা দিবসের বিশাল একটি কেক কাটেন প্রধান অতিথি ্ও বিশেষ অতিথি বৃন্দ। অন্যদিকে সকাল সাড়ে ১১ টায় বন্দরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য ( প্রকৌশল ্ও উন্নয়ন ) এমদাদুল হক, মেম্বর অপারেশন মোঃ আলতাপ হোসেন, সদস্য অর্থ গোলাম মোস্তফা, পরিচালক প্রশাসন মোঃ নুরুল আলম, মংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচ এম দুলাল, সাংবাদিক এম এ মোতালেব, আহসান হাবিব, মোঃ নূর আলম, মোঃ হাসান গাজী, মনিরুল হায়দার ইকবাল, মংলা বন্দরের পরিকল্পনা প্রধান জহিরুল হক, সহকারী ট্রাফিক ম্যানেজার মোস্তফা কামাল, সিবিএ সভাপতি মো সাইদ উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক প্রমূখ। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিনব্যাপী অন্যান্য কর্মসুচির মধ্যে ছিলো মঙ্গলবার রাত ১২ টা ১ মিনিটের সময় বন্দরে অবস্থিত দেশী-বিদেশী জাহাজে হুইসেল বাজানো, সূর্য্যােদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, র‌্যালী, ভলিবল প্রতিযোগিতা, প্রীতিভোজ ্ও সাংস্কৃৃতিক অনুষ্ঠান।