মংলায় স্কুল ছাত্রীকে গণ ধর্ষন গ্রেফতার ১

348

মংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ মংলার কানাই নগর গুচ্ছ গ্রামে সাত বছরের স্কুল ছাত্রীকে লম্পট যুবকরা দীর্ঘ দিন ধরে গণধর্ষন করার ফলে গর্ভবতী হয়েছে ধর্ষিতা ছাত্রী। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ আসামী একজনকে গ্রেফতার করেছে।
মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণী ও এজাহার সূত্রে জানা যায় মংলার চাঁদপাই ইউনিয়নের কানাইনগর গুচ্ছ গ্রামে ৭ম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রীকে গত ১৭ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে গুচ্ছ গ্রামের লম্পট যুবক মোঃ রুবেল (২৮) পিতা- মোঃ হায়দার ও মোঃ হারুন (৫৫) পিতা-রব মিস্ত্রী ধর্ষন করে। স্কুল ছাত্রীর পিতা শারিরীক প্রতিবন্ধী এবং পিতা-মাতা দুজন নদীতে মাছ ধরতে য্ওায়ায় ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় সময় লম্পট যুবকদ্বয় এই ধর্ষন কার্য্যক্রম চালায় বলে জানা যায়। এই ঘটনার পর থেকে রুবেল এবং হারুনসহ গুচ্ছ গ্রামের বখাটে যুবকরা অব্যাহত ভাবে গণধর্ষন কার্য্যক্রম চালিয়ে আসছিলো বলে মামলার এজাহারে উল্ল্যেখ করা হয়। মংলার সিগনাল ট্ওায়ারের মোহাম্মদ ইসমাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর ধর্ষিত স্কুল ছাত্রী এখন ৭ মাসের গর্ভধারিনী বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে মানবাধিকার কর্মী সুমী লীলা বলেন দরিদ্রতার সুযোগ নিয়ে লম্পট যুবকরা ধর্ষন কার্যক্রম চালিয়েছে। এখন্ও আসামী ধরা হয়নি। ঘটনাটি ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্ঠা করা হয়েছিলো। ধর্ষিত স্কুল ছাত্রীটির সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেল। তিনি আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি ধর্ষিত স্কুল ছাত্রীটিকে পুনর্বাসনের জন্য বিবেকবান ব্যক্তি ও সংগঠনকে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। গণধর্ষনের বিষয়ে মংলা থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ মনজুর এলাহী জানান ঘটনাটি সত্য। থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(৩) ধারায় গনধর্ষর করার অপরাধে মামলা হয়েছে। মামলা নং-৫, তারিখ ১৩-০৯-২১৫। মামলার ২নং আসামী মোঃ হারুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১নং আসামী রুবেল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।