ভারত-নেপাল-ভুটান মোংলা বন্দর ব্যবহার করবে-নৌমন্ত্রী

90

মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ মোংলা বন্দর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শ্রেষ্ঠ বন্দর হবে। পদ্মা সেতু নির্মান শেষ হলে মোংলা বন্দরকে ঘিরে বিরাট কর্মযজ্ঞ শুরু হবে। ভারত-নেপাল-ভূটান মোংলা বন্দর ব্যবহার করবে। সেই জন্য আগামী দুই বছরের মধ্যে মোংলা বন্দরের অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ড হবে যার মধ্যে দিয়ে বন্দর সক্ষমতা অর্জন করবে। শনিবার সকালে মোংলা বন্দর ভবন চত্বরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারি সংঘের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি এ কথা বলেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর এ কে এম ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে অভিষেক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট-৩ এর সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক, বাগেরহাট-৪ এর সংসদ সদস্য ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন ও খুলনা বিভাগীয় যুগ্ম শ্রম পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান। অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তব্য অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কর্মচারি সংঘের নব-নির্বাচিত সভাপতি সাইজদ্দিন খান, সাধারন সম্পাদক কাজী খুরশীদ জামান পল্টু প্রমূখ। অভিষেক অনুষ্ঠান শেষে সকাল সাড়ে ১১টায় নৌপরিবহন মন্ত্রী বন্দর ভবন মিলনায়তনে বন্দর উপদেষ্টা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। বন্দর উপদেষ্টা কমিটির সভায় বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট-৩ এর সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক, বাগেরহাট-৪ এর সংসদ সদস্য ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন, বাগেরহাট-৩ এর সংসদ সদস্য মীর শ্ওকত আলী বাদশা, নৌপরিহন মন্ত্রনালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়, খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর এ কে এম ফারুক হাসান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ) মোঃ গোলাম মোস্তফা, প্রকৌশলী আলতাপ হোসেন খান, খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজী আমিনুল হক, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম হাবিব, মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী সমন্বয় কমিটির মহাসচিব এ্যাডঃ সাইফুল ইসলাম, বন্দর ব্যবহারকারী সুলতান হোসেন খান প্রমূখ। সবশেষে দুপুরে মোংলা পোর্ট পৌরসভার আয়োজনে বন্দর এলাকায় পৌর ট্রাক ট্রার্মিনাল প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন নৌ পরিহন মন্ত্রী শাজাহান খান। এ সময় তিনি বলেন ”যার যার দল তার তার, মোংলার উন্নয়নে এক কাতার”। দেশের উন্নয়ন কোন দলের নয়। দেশের উন্নয়ন সবার জন্য। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেখানে মাথাপিছু আয় ছিলে ৫২৯ ডলার এখন তা ১ হাজার ৬শ ২ ডলার। ৪৪ ভাগ দরিদ্র সীমা এখন এখন ৫ ভাগ, অতিদরিদ্র ২২ ভাগ থেকে এখন ১১ ভাগে এবং ১১ ভাগ থেকে দ্রব্যমূল্য স্ফীতি কমে এখন ৫ ভাগে দাড়িয়েছে। ছোট একটি দেশ আগে আমরা খাদ্য আমদানী করতাম এখন আমরা খাদ্য রপ্তানী করছি। পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট-৩ এর সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক, নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর এ কে এম ফারুক হাসান ও খুলনা বিভাগীয় পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শ্রমিক নেতা আব্দুর রহিম বক্স দুদু মিয়া। উল্ল্যেখ্য ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত টার্মিনালে ৩শত ট্রাক অবস্থান করতে পারবে বলে পৌরসভার পক্ষ থেকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়।