ভাংগন ও দূষণ থেকে সুন্দরবন এবং পশুর নদীর সংগলগ্ন মানুষকে রক্ষা করুন

39

মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ ভাংগন এবং দূষণ থেকে সুন্দরবন এবং পশুর নদী সংলগ্ন মানুষদের রক্ষা করুন। অপরিকল্পিত শিল্পায়ন, উন্নয়ন এবং মুনাফালোভী ব্যবসা-বানিজ্যের করাল গ্রাসে সুন্দরবন যেমন লন্ড-ভন্ড তেমনি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পশুর নদীর জলজ প্রাণী। পরিবেশ এবং মানুষের ক্ষতি করে কোন উন্নয়ন কাম্য হতে পারে না। সোমবার বিকেলে সুন্দরবন সংলগ্ন পশুর নদীর তীরে বাণিশান্তা বাজারে পশুর রিভার ওয়াটারকিপার, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা আয়োজিত উপকূলীয় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের মহাসমাবেশে তত্ত্ববধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা বাপা সহ-সভাপতি রাশেদা কে চৌধুরী এ কথা বলেন।
ভাংগন ও দূষণ থেকে বাণীশান্তা-ঢাংমারি এবং পশুর নদীর দুই পাড়ের অধিবাসীদের রক্ষার দাবীতে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মোঃ নূর আলম শেখ। মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ওয়টারকিপার্স বাংলাদেশ’র সমন্বয়কারী বাপা’র যুগ্ম সম্পাদাক শরীফ জামিল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাণীশান্তা ইউপি চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায়, আ্ওয়ামীলীগ নেতা পরিমল কান্তি রপ্তান, ইউপি সদস্য ফিরোজ আলী খাঁ, বাণীশান্তা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোখলেছুর রহমান, বাপা নেতা তানজিম হোসেন মুকুল, নাজমুল হক প্রমূখ। মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র সমন্বয়কারি বাপা’র যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন সরকারের যে উন্নয়ন পরিকল্পনা করার আগে সেই এলাকার মানুষের সাথে কথা বলা উচিত। সুন্দরবন সংলগ্ন রামপাল -মোংলা এলাকায় উন্নয়নের নামে যা হচ্ছে তা আসলে পরিবেশে বিরোধী কর্মকান্ড। সুন্দরবনের বাপার জোন এলাকায় এসকল তথাকথিত উন্নয়ন কর্মকান্ড জীব-বৈচিত্র এবং পশুর নদীর জলজ প্রাণীর জন্য হুমকিস্বরূপ। মহাসমাবেশে বক্তারা ভাংগন এবং দূষণ থেকে বাণীশান্তা-ঢাংমারি এবং পশুর নদীর দুই পাড়ের অধিবাসীদের রক্ষার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।