বেসরকারিখাতও সেকেন্ডারি ডাটা সংগ্রহ করে সরকারকে সহযোগিতা করতে পারে—–পরিকল্পনা মন্ত্রী

যুগবার্তা ডেস্কঃ পরিকল্পনা মন্ত্রী জনাব আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের জন্য নির্ভূল ডাটা অপরিহার্য । সে লক্ষ্যে ডাটা সংগ্রহ করতে হবে নির্ভূল ভাবে ,যথাযথ পদ্ধতিতে এবং সময়মত । নির্ভুল ডাটা সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সক্ষমতা বাড়িয়ে পুর্নাঙ্গ একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে । ডাটা সংগ্রহ করতে যেভাবে কাজ করা হচ্ছে তাতে ভূল করার কোন সুযোগ নেই । তিনি বলেন যথযথ জরীপের মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রাথমিক ডাটা সংগ্রহ করে থাকে । যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে যে কোন এনজিও , উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা কিংবা বেসরকারি খাত সেকেন্ডারি ডাটা সংগ্রহ করে সরকারকে সহযোগিতা করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন ।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় ডেইলিস্টার কার্যালয়ে এ এস মাহমুদ সেমিনার হলে ইউএনএফপিএ ও দি ডেইলি স্টার আয়োজিত ‘ডাটা ফর এসডিজিস ’ শীর্ষক পলিসি ডায়লগে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য এডভোকেট সানজিদা খানম, এডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি এবং নুরজাহান বেগম, পরিকল্পনা কমিশন সদস্য (সি: সচিব )ড. শামসুল আলম , ইউএনএফপিএ কান্ট্রি ্ডাইরেক্টর মিস আর্জেন্টিনা ডিএফআইডি প্রতিনিধি মিস জেমি এডমন্ডসন, ইউএন উইমেন প্রতিনিধি মিস ক্রিস্টান সুসান হান্টার, পপুলেশন কাউন্সিলের কান্ট্রি ডাইরেক্টর ড. ওবায়দুর রব, বাংলাদেশে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোয়ান ফাইসেল,বিআইডিএস রিসার্স ডাইরেক্টর ড.রুশিদান ইসলাম রহমান অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ।
পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সারা দুনিয়ায় প্রশংশিত হয়েছে । বিশ্ব সভায় বাংলাদেশ অনেক উঁচুতে পৌছেছে। আমরা এসডিজি বাস্তবায়নের বিষয়েও অনুরূপ সফলতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কর্মপন্থা নির্ধারণ করছি । কোন মন্ত্রণালয় কোন কাজ করবে ,কে মনিটরিং করবেন ইত্যাদি দায়িত্ব বন্টন করে দিয়ে সুপরিকল্পিত কর্মপন্থা নিয়ে এগুচ্ছি। মন্ত্রী বলেন ,২০০৫ সালে দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল শতকরা ৪০ভাগ বর্তমানে তা ২৩দশমিক শূণ্য ৫ ভাগে নামিয়ে আনতে বর্তমান সরকার সক্ষম হয়েছে । ২০৩০ সালে দেশে দারিদ্র্যের হার শতকরা ৯ ভাগে নেমে আসবে । তিনি বলেন দেশে ২০০৫ সালে অতি দরিদ্র্যের হার ছিল ২৫ দশমিক এক ভাগ । বর্তমানে এ হার ১২ দশমিক এক ভাগে নামিেেয় আনতে সরকার সক্ষম হয়েছে । ২০৩০ সালে দেশে অতিদারিদ্র্যের হার হবে ৩দশমিক ৫ ভাগ ।