বিশ্বব্যাপি পর্যটকদের ৩৬ শতাংশের আকর্ষণ এডভেঞ্চার ট্যুরিজম-মেনন

যুগবার্তা ডেস্কঃ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, বিশ্বব্যপি পর্যটকদের ৩৬ শতাংশেরই মুল আকর্ষণ এডভেঞ্চার ট্যুরিজম আর এর অধিকাংশই তরুণ। তারুণ্য আমাদের অদম্য শক্তি। সাহসী তারুণ্যই আগামীর পাথেয় বিনির্মাণ করে। দেশের জনসংখ্যার ৬০ ভাগই তরুণ। তাই পর্যটন শিল্পের দ্রুত বিকাশ ও প্রসারের জন্য তরুণদের মাঝে পর্যটনের আবেদন তৈরি করতে হবে, তাদেরকে পর্যটন মনস্ক করতে হবে। এ জন্য এডভেঞ্চার ট্যুরিজমের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সারফিং, প্যারাসেলিং. প্যারাগ্রাইডিং, ট্র্যাকিংসহ বিভিন্ন ইভেন্ট সংযোজন করতে হবে।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যপি পর্যটন এখন অন্যতম শিল্পের মর্যাদা পেয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী নেপাল, মালদ্বীপসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রপ্তানী আয়ের একটি বিরাট অংশ আসে পর্যটন খাত থেকে। এ ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি। আমদের ট্যুরিস্ট স্পট গুলোকে ট্যুরিস্ট প্রডাক্ট রূপে গড়ে তুলতে হবে। পর্যটনের বিকাশ একটি সম্বন্বিত কার্যক্রম। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের এর সাথে সম্পৃক্ত। সবাইকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পর্যটনের ক্ষেত্রে আমাদের নিরন্তর প্রয়াসের স্বীকৃতি আমরা পেতে শুরু করেছি। এই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংগঠন ইউএনডব্লিউটিএ এর ২৯ তম সিএপি-সিএসএ সম্মেলন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ওআইসি’র পর্যটন বিষয়ক সম্মেলন ২০১৭ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ ছাড়াও আপনারা জানেন গত বছর ঢাকায় আমরা আন্তর্জাতিক বুদ্ধিস্ট কনফারেন্স আয়োজন করার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ হয়েছি।
তিনি আজ সকালে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের(বিপিসি) ব্যাংকুয়েট হলে বিপিসি ও বেস ক্যাম্পের মধ্যে গড়ট স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
বিপিসির পরিচালক (বালিজ্যিক) এবং বেস ক্যাম্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামজিদ সিদ্দিকী স্পন্দন নিজ নিজ পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
বিপিসি’র চেয়ার ড. অপরূপ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তৃতা করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রফিকুজ্জামান।