বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের লাগাতার ধর্মঘট ১ নভেম্বর থেকে

60

অক্টোবর মাসের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ১ নভেম্বর থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। দাবি-দাওয়া পূরণের বিষয়ে মঙ্গলবার সচিবালয়ে শিক্ষমন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের নেতারা এ কথা জানান।
বৈঠকে ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালও উপস্থিত ছিলেন।
স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো ও অষ্টম বেতন কাঠামোতে বৈষম্য দূরীকরণসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
অষ্টম বেতন কাঠামো প্রণয়ন প্রক্রিয়া চলমান থাকার সময়েই এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আন্দোলন শুরু হবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা।
তখন শিক্ষকরা বলেছিল, সপ্তম বেতন স্কেলে সচিব, সিলেকশন গ্রেডের (সিনিয়র) অধ্যাপক ও মেজর জেনারেল এক নম্বর গ্রেডে থাকলেও প্রস্তাবিত অষ্টম বেতন স্কেলে সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্ত অধ্যাপকদের বেতন আগের তুলনায় দুই ধাপ নেমে গেছে। শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো প্রণয়ন, সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বহাল রাখারও দাবি জানান তারা।
কিন্তু সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দিয়েই ৭ সেপ্টেম্বর অষ্টম বেতন কাঠামো অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এরপর শিক্ষকদের আন্দোলনে আরও উত্তাল হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। কর্মবিরতিসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকেন শিক্ষকরা।
এর মধ্যে শিক্ষকরা অনানুষ্ঠানিকভাবে কয়েক দফা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসলেও সেখানে সমঝোতা হয়নি।
২ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রীর বাসায় শিক্ষকদের সঙ্গে এক বৈঠকে ৬ অক্টোবর সচিবালয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত হয়।