বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসলেই সাংবাদিকরা নির্যাতিত হয় :নিখিল

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসলেই সাংবাদিকরা নির্যাতিত-নিপীড়িত হয় বলে মন্তব্য করেছেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: মাইনুল হোসেন খান নিখিল। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ মহানগর যুবলীগ কার্যালয়ে ১৭ মে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৪২ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকা সময়ে অসংখ্য সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। আপনারা জাতির বিবেক, সমাজের দর্পণ। এই করোনার সময় কোন বিএনপি-জামাত নেতা সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ায় নাই, তাদের খোঁজ খবর রাখে নাই। কিন্তু আমার প্রিয় নেত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা সাংবাদিকসহ পুলিশ, প্রশাসন, চাকুরিজীবী সবার পাশেই ছিলেন। তাদেরকে নানাভাবে সহায়তা করেছেন। তাই সাংবাদিক ভাইদের বলবো আপনাদের লেখনীর মাধ্যমেই জাতি সঠিক তথ্য ও ইতিহাস জানতে পারবে। আপনারা সঠিক ইতিহাস তুলে ধরলে এদেশের জনগণ বিএনপি-জামাতকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।
তিনি বলেন, ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আমাদের কাছে যেমন আনন্দদায়ক তেমনি বেদনাদায়কও বটে। বেদনাদায়ক এই কারণেই যে, ২০০৪ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার নির্দেশে আমার নেত্রী শেখ হাসানিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল তারেক জিয়া। কিন্তু কিছু কিছু বুদ্ধিজীবী হয়তো ইতোমধ্যেই ভুলতে বসেছেন। ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্নাদের মতো বুদ্ধিজীবীরাই নানাভাবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে খুনী জিয়া পরিবারের তুলনা করে থাকেন। বঙ্গবন্ধুর পাশে খুনী জিয়াকে বসানো যেমন অসম্ভব, তেমনি রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার পাশে খালেদা জিয়াকে বসানো বেমানান, অর্থহীন। আবার শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের পাশে কুলাঙ্গার সন্ত্রাসী তারেক জিয়াকে মিলানোও বোকামি। কোথায় সজীব ওয়াজেদ জয়, আর কোথায় চোরা তারেক, এক হলো? এ কারণেই এদেশের জনগণ বিএনপিকে প্রত্যাখান করেছে।
ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানার সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা’র সঞ্চালনায় বক্তব্যে রাখেন যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী,সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক এমদাদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরিফ উজ-জামানসহ কেন্দ্রীয় মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।